×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-১২-০৪
  • ৭৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে তরুণ উদ্যোক্তা উন্নয়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভ এন্ড এন্ট্রাপ্রিনিউরশীপ (আইসিই) সেন্টার এবং দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে।
এ লক্ষ্যে শনিবার ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব ইউনিভার্সিটিজ ইন বাংলাদেশ টু প্রমোট ইয়ুথ এন্ট্রাপ্রিনিউরশীপ’ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
এই প্রকল্পের আওতায় দেশে উদ্যোক্তা নির্ভর পরিবেশ তৈরি এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে।
এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্ষ ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
এতে ঢাকায় নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং-কিউন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেইন, কোইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইয়াং দো, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্ষ ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্ষ অধ্যাপক ড. আ. স. ম মাকসুদ কামাল, আইসিই সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মো. রাশেদুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুল মঈন প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় শামিল হয়েছে। আমরা উচ্চ আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার চেষ্টা করছি। এর জন্য আমাদের সবাই মিলে কাজ করতে হবে। সময় নষ্ট করা উচিত হবে না।’
দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকল্পে এই প্রকল্প ভূমিকা রাখবে। তিনি বাংলাদেশের জন্য উদ্ভাবনমূলক প্রকল্প গ্রহণ করায় কোইকাকে ধন্যবাদ জানান।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জাং-কিউন বলেন, বাংলাদেশের শিল্প বিপ্লবের জন্য সৃষ্টিশীল আইডিয়া প্রয়োজন। উদ্যোক্তার বিকাশ ঘটাতে হবে। সেই জায়গায় কোইকা এবং আইসিই সেন্টারের প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশে তরুণ উদ্যোক্তা বিকাশে দক্ষিণ কোরিয়া পার্টনার হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে আইসিই সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক মো. রাশেদুর রহমান বলেন, আইসিই সেন্টার দেশে একটি উদ্যোক্তা-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, এই প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, বরং দেশের যেকোন প্রান্তের সৃষ্টিশীল আইডিয়া নিয়ে কাজ করা তরুণরা নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে।
‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব ইউনিভার্সিটিজ ইন বাংলাদেশ টু প্রমোট ইয়ুথ এন্ট্রাপ্রিনিউরশীপ’ প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের দ্বিপাক্ষিক প্রকল্প। কোইকা, আইসিই সেন্টার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat