×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০২-১৯
  • ৬৯১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
২০৩০ সালের মধ্যে কালাজ্বর রোগীর সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিউজ ডেস্ক: –আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে কালাজ্বর রোগীর সংখ্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ মঙ্গলবার হোটেল সোনাগাঁও-এ দক্ষিণ এশিয়ায় কালাজ্বরের টেকসই নির্মূল সংক্রান্ত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্ততায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী একথা বলেন। জাহিদ মালেক বলেন, গত দশ বছরে সরকারের বাস্তবায়িত কর্মসূচি এবং নজরদারির কারণে জাতীয় কালাজ¦র নির্মূল কার্যক্রম সফলভাবে কাজ করেছে। ফলে ২০১৭ সালের আগেই দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে কালাজ¦র রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার জনে ১ জনের টার্গেট পূরণ করেছে বাংলাদেশ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যতঃ কালাজ¦র নির্মূল হয়েছে এবং এই পরিস্থিতি টেকসই করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যেতে হবে। সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বক্তব্য রাখেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার দেশ থেকে পোলিও ও ধনুষ্টংকার নির্মূল করেছে। শিশু মৃত্যু ও মাতৃমৃত্যু হার কমিয়ে এমডিজি পুরস্কার অর্জন করেছে। কালাজ¦র নির্মূলেও আমরা সফলতার দ্বারপ্রান্তে। সীমাবদ্ধ সম্পদের দেশ হওয়া সত্ত্বেও এই অর্জনগুলোর জন্যে বাংলাদেশ অনেক দেশের কাছে রোল মডেল হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় কালাজ্বর সম্পূর্ণ নির্মূলে অচিরেই আমরা সফল হবো। তিনি বলেন, বর্তমান সফলতা ধরে রেখে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আরো নিবিড়ভাবে কাজ করলে শিগগিরই এদেশে একজনও কালাজ¦র রোগী থাকবে না। জাহিদ মালেক বলেন, এদেশে অতি দরিদ্রদের মধ্যে এই ধরনের রোগ দেখা যায়। বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী দেশের সীমান্ত এলাকায় এই ভাইরাস রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ সতকর্তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের পাশাপাশি অতি দরিদ্র রোগীদের মাঝে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের নিরলস কাজ করে যেতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat