×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০১-২৪
  • ২৮৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ব ইজতেমা ১৫ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি
নিউজ ডেস্ক:–তাবলীগ জামাতের বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ১৫, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ তীরে অনুষ্ঠিত হবে এই ইজতেমা। বৃহস্পতিবার বিকালে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, দুই পক্ষ একসঙ্গে একই জায়গায় এবারের ইজতেমা করার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এর আগে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হলেও এবার একটাই হবে। তবে এবারের ইজতেমায় ভারতের বিতর্কিত মাওলানা সাদ কান্দালভি অংশ নিচ্ছেন না। বিরোধ মীমাংসায় সমন্বয়কারীর ভূমিকায় থাকা কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা মাজহারুল ইসলাম বলেন, তাদের মধ্যে যে ভুল বোঝাবুঝি ছিল, তা মিটমাট হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, তাবলীগ জামাতের ভেতরে মাওলানা সাদ কান্দালভিকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের দ্বন্দ্ব চরম আকর ধারণ করে। এই দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষেরও ঘটনা ঘটে। এরপর ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার পর তাবলীগ জামাতের দু’পক্ষ আলাদাভাবে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ঘোষণা করে। ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করেন সাদপন্থীরা। এর বিরোধিতা করে ১৮, ১৯ ও ২০ জানুয়ারি ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করেন হেফাজতপন্থী মাওলানা জুবায়ের অনুসারীরা। এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গীতে ইজতেমা ময়দানে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে দুজন নিহত ও শতাধিক আহত হন। সাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেশ কিছু কাল ধরেই তাবলীগ জামাতে সংস্কারের কথা বলছেন তিনি। সাদ বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা বা ধর্মীয় প্রচারণা অর্থের বিনিময়ে করা জায়েজ নেই। যার মধ্যে মিলাদ বা ওয়াজ মাহফিলের মতো কর্মকাণ্ড পড়ে বলে মনে করা হয়। সাদ আরো বলেন, মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষকদের মাদ্রাসার ভেতরে নামাজ না পড়ে মসজিদে এসে নামাজ পড়া উচিত। কিন্তু তার বিরোধীরা বলছেন, সাদ যা বলছেন- তা তাবলীগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা নেতাদের নির্দেশিত পন্থার বিরোধী। তাদের বক্তব্য, সাদের কথাবার্তা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বিশ্বাস ও আকিদার বাইরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat