×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-১৭
  • ৪৫৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
জাপানে মুজিবনগর দিবস উদযাপন
নিজস্ব প্রতিনিধি:- আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি পালন করেছে জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। মঙ্গলবার দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি (প্রেস) শিপলু জামান এই তথ্য জানিয়েছেন। সকালে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধানের বাণী পাঠ করে উপস্থিত সবাইকে শোনানো হয়। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনায় জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, ১৭ এপ্রিল তথা মুজিবনগর দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে অনন্য দিন, দেশের আইনগত সূচনা হয় এই মুজিবনগর বা তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহাকুমার বৈদ্যনাথতলা থেকে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে বিদেশি সাংবাদিক ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে সরকার গঠন বাংলার মুক্তিকামী জনগণকে যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে অনুপ্রাণিত করে। ভৌগলিক ও কৌশলগত কারণে মুজিবনগর ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার পর মুজিবনগর সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সারা বিশ্বের কাছে নিজের পরিচয় জানান দেয়। তাই দিবসটির গুরত্ব অপরিসীম। অন্যান্য আলোচক দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, সেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অস্ত্রভয় উপেক্ষা করে আমাদের বীর জাতীয় নেতারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দীন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী এবং এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান ও এম. মুনসুর আলীকে মন্ত্রীসভার সদস্য করে শপথ গ্রহণ ও স্বাধীন বাংলার অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। মূলতঃ এখান থেকেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের পথ চলা শুরু হয়। বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করা মুজিবনগর তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat