×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৭-০৩-২২
  • ৫১২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
মুফতি হান্নানের ফাঁসি স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ
নিউজ ডেস্ক:- যুদ্ধাপরাধীদের এবার ২০০৪ সালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলার মূল হোতা মুফতি হান্নানের ফাঁসি স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। ব্রিটিশ হাইকমিশনারের উপর হামলার অভিযোগে মুফতি হান্নানসহ দুই জঙ্গি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অপেক্ষা করছে। মঙ্গলবার এইচআরডব্লিউর বিবৃতিতে বলা হয়, অপরাধীদের শাস্তি দেয়ার প্রয়োজন আছে তবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে বাংলাদেশ ভুল দিকে যাচ্ছে। নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটির এশিয়া ডিরেক্টর ব্র্যাড অ্যাডামসের বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের উচিত তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উপর স্থগিতাদেশ দেয়া কারণ এই শাস্তি নিষ্ঠুর ও অপরিবর্তনীয়। তাই অপরাধের ধরণ যেমনই হোক এই শাস্তি প্রয়োগ করা উচিত নয়।২০০৪ সালের ২১ মে সিলেটে হজরত শাহজালাল (র) এর মাজারে গেলে গ্রেনেড হামলার শিকার হন ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী। হামলায় পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজন নিহত হন, আহত হন আনোয়ার চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসকসহ অর্ধশতাধিক মানুষ।ওই মামলায় ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর বিচারিক আদালত ৫ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, বিপুল ও রিপনকে মৃত্যুদণ্ড এবং মহিবুল্লাহ ও আবু জান্দালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগেও তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। তারা রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করলে সেটাও খারিজ হয়ে যায়।এইচআরডব্লিউ দাবি করে, অভিযুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে যে প্রমাণ হাজির করা হয়েছে তা মূলত আসামীর স্বীকারোক্তি। কিন্তু অভিযুক্তরা দাবি করেছে পুলিশি নির্যাতনের মাধ্যমে জোর করে তাদের আদালতের সামনে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়। এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড দেয়ার সময়ও এর বিরোধিতা করেছিল এইচআরডব্লিউ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat