‘শতবর্ষের সফল ব্যক্তি’ নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের প্রশংসা করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, এ ধরনের বই আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। প্রয়োজন হলে তিনি বইটি বিভিন্ন লাইব্রেরিতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে সহযোগিতা করবেন বলেও জানান।
সমাজে বিভিন্ন মানুষের অবদানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, ওয়ালটনের মতো প্রতিষ্ঠান দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। একইভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প-সাহিত্য ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রত্যেকের অবদান।’ সমাজে যারা হাসপাতাল, স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তাদের অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণ করা উচিত। ধর্ম বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, যার যার কর্মের ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে।
তিনি বলেন, বিশেষ করে ১৯৪৭ সালের আগের সময়ের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তৎকালীন জমিদার ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের উদ্যোগে বহু শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল।
তাদের অবদানকে ধর্মীয় বা দলীয় পরিচয়ের সংকীর্ণতায় না দেখে সামাজিক অবদানের জায়গা থেকে মূল্যায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে কৃতী ব্যক্তিদের অবদান তুলে ধরে তাদের স্মরণ ও সম্মান জানানোর উদ্যোগের প্রশংসা করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, সমাজের জন্য যারা কাজ করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং সামাজিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, আবুল কাশেম চৌধুরী এবং ছায়ানীড়ের সভাপতি ড. ইউসুফ খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মন্ত্রী কৃতী ব্যক্তিদের নিয়ে প্রকাশিত বই সংগ্রহ ও পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গুণী ও সফল ব্যক্তিদের অবদান তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে অনুষ্ঠানের বক্তব্যে কৃতী ব্যক্তিদের অবদান সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে শতবর্ষের সফল ব্যক্তিদের স্মৃতি ও অবদানকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।