×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৫-২০
  • ৩২৪৩৫২৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বৃক্ষরোপণ অভিযানের অংশ হিসেবে বিলুপ্তপ্রায় বৃক্ষ সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করা হবে। 
তিনি বলেন, সহব্যবস্থাপনা ও সহযোগিতামূলক বন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে বন ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। এর ফলে বন ও বনভূমি অনেক বেশি টেকসই হচ্ছে। বিদ্যমান বনভূমিতে ব্যাপকভাবে বনায়ন করে বনের আচ্ছাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বনভূমি উজাড় রোধে জবরদখলকৃত বনভূমি চিহ্নিতপূর্বক উদ্ধার করা হচ্ছে এবং বনায়ন করা হচ্ছে।
আজ সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০২২ ও ২০২৩’ পদক সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সভায় বনমন্ত্রী সাবের চৌধুরী বলেন, বন ও বনভূমি রক্ষায় টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বন ও বনভূমির ডিজিটাল বাউন্ডারি ম্যাপিং এর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে বনভূমি জবরদখল চিহ্নিত করা সহজ হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সারা দেশে সবুজায়ন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। বিশেষ করে শহরে বাড়ির ছাদসহ অন্যান্য স্থানে কিভাবে গাছ লাগানো যায়, সেটা গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
সভায় বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কারের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত পর্যায়, ব্যক্তি মালিকানাধীন নার্সারি, বন বিভাগ কর্তৃক সৃজিত বাগান, বাড়ির ছাদে বাগান সৃজন, বৃক্ষ গবেষণা, সংরক্ষণ ও উদ্ভাবন প্রভৃতি ক্যাটাগরিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কমিটিতে যাচাই-বাছাই শেষে খসড়া তালিকা প্রণয়ন করা হয়।
১৯৯৩ সাল থেকে চালু হওয়া এই পুরস্কারের প্রতিটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের সনদপত্র দেওয়া হবে। আর পুরস্কারের মূল্যমান হিসেবে প্রথম পুরস্কারের জন্য এক লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ৭৫ হাজার এবং তৃতীয় পুরস্কারের জন্য ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, জাতীয় কমিটির সদস্য আরমা দত্ত, এমপি, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটস অধ্যাপক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড ফাহমিদা খানমসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat