×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-২০
  • ২৩৪৩৪৬০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
তুলনামূলক এক সপ্তাহ শান্ত থাকার পর থাইল্যান্ডের সীমান্তের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্রের কাছে মিয়ানমারের জান্তা এবং সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ আবার শুরু হয়েছে। একটি সশস্ত্র গ্রুপের মুখপাত্র এবং থাই সেনাবাহিনী শনিবার এ কথা বলেছে।
২০২১ সালের একটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছ থেকে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করার পর থেকে মিয়ানমারে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে।
এই মাসের শুরুর দিকে মিয়ানমারের বাণিজ্য কেন্দ্র মায়াওয়াদ্দির চারপাশে ভয়ঙ্কর লড়াই শুরু হয় এবং সেনাবাহিনী শহরে তাদের অবস্থান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়।
তবে গত সপ্তাহে এলাকাটির বেশিরভাগ শান্ত ছিল এবং স্থানীয়রা কোন লড়াইয়ের কথা জানায়নি, যদিও একটি আঞ্চলিক ব্লক শুক্রবার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে।
জান্তা বিরোধী কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ) জানায়, আগের সংঘর্ষের সময় কিছু সৈন্য মায়াওয়াদ্দির সাথে থাই শহর মায়ে সোটের সংযোগকারী একটি সেতুর নীচে আশ্রয় নিয়েছিল।
কেএনইউ মুখপাত্র পাদো সাও থাও নী এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন যে, গ্রুপটি মায়াওয়াদ্দিতে জান্তার বিরুদ্ধে লড়াই করছে, কিন্তু বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
শনিবার ভোরে,সীমান্তে অবস্থানরত থাই সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট জানিয়েছে,সেতুর নিচে জান্তা সৈন্যদের লক্ষ্য করে সংঘর্ষ চলছে।
রাজামনু স্পেশাল টাস্ক ফোর্স ফেসবুকে পোস্টে বলেছে, ‘বর্তমানে লড়াইয়ের মাঝখানে কোন ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানা যায়নি।’
এতে বলা হয়েছে, বাহিনী দ্বিতীয় ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজের নিচে অবস্থান করা সৈন্যদের বিরুদ্ধে ‘ড্রোন’ মোতায়েন করেছে, অর্থ সংকটে পড়া মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর জন্য এটি একটি প্রধান বাণিজ্য পয়েন্ট।
থাই টাস্ক ফোর্সও নিশ্চিত করেছে যে, সেতুটি বন্ধ রয়েছে এবং সৈন্যরা পাশে দাঁড়িয়ে আছে।
একটি টুইট বার্তায়, থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী পার্নাপ্রি বাহিদ্ধা-নুকারা বলেছেন, শুক্রবার রাতে সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
বাণিজ্যিক শহরের পোস্টগুলো থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি জান্তার জন্য একটি বড় ধাক্কা ছিল, যা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কিছু ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
মায়াওয়াদ্দি সামরিক বাহিনীর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, এপ্রিল থেকে ১২ মাসে এর মধ্য দিয়ে ১.১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের বাণিজ্য হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মায়াওয়াদ্দির একজন ট্রাক চালক এএফপিকে বলেছেন, তারা সংঘর্ষের কথা শুনেছেন।
তারা বলেন, ‘যুদ্ধ শহরে নয়, শহরের বাইরে। আমরা এই মুহূর্তে পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু জানিনা।’
স্থানীয় থাই মিডিয়া শনিবার সকালে থাইল্যান্ডে প্রবেশের জন্য সারিবদ্ধভাবে বহু লোকের ভিডিও শেয়ার করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat