×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৯-১৮
  • ৮০৮০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
রেল লাইনের বেশিরভাগ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় আগামী মাসে চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার রুটে পরীক্ষামূলক ভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ মফিজুর রহমান আজ  বলেন, “নির্ধারিত সময়ের সাত মাস আগে আগামী ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম-দোহাজারী-কক্সবাজার রুটে পরীক্ষামূলক ভাবে চালানোর জন্য পটিয়া রেলস্টেশনে একটি ট্রেন  প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”
তিনি বলেন, প্রকল্পের ৮৯ শতাংশের বেশি নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি কাজ আগামী ৬ মাসের মধ্যে শেষ হবে।
মফিজুর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত ৩৯টি বড় সেতু, ২৪২টি কালভার্টের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে এবং ১০০ কিলোমিটার রেলপথের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।
এছাড়া, সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাঁখালী নদীর ওপর তিনটি বড় সেতুসহ ৪৩টি ছোট সেতু, ২০১টি কালভার্ট ও ১৪৪টি লেভেল ক্রসিং নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
নয়টির মধ্যে ছয়টি রেলস্টেশনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এবং আরও দুই-তিনটি স্টেশন আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। বাকি স্টেশনগুলোর কাজ এখন পুরোদমে চলছে।
১০০ কিলোমিটার রুটে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চকরিয়া, ডুলাহাজরা, ঈদগাও, রামু, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও গুনদুমসহ মোট নয়টি স্টেশন থাকবে।
এই স্টেশনগুলোতে শতভাগ কম্পিউটার-ভিত্তিক ইন্টারলকিং সিগন্যাল সিস্টেম এবং একটি সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক থাকবে।
তিনি আরো বলেন, নতুন রেললাইনটি বন্দও নগরী থেকে পর্যটন শহর কক্সবাজার পর্যন্ত দ্রুত ও নির্বিঘেœ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করবে।
১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে মোট ৬ হাজার ৩৪ কোটি টাকা দেশীয় উৎস থেকে মেটানো হচ্ছে এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে। দুটি চীনা প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালের এপ্রিলে এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
কক্সবাজারে ঝিনুকের আদলে একটি আইকনিক রেলস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে যেখানে আন্তর্জাতিক মানের সব সুবিধা পাওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat