×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-০৫
  • ৩৯০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কালজয়ী গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’ এবং এমন আরো গান আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের ও মুক্তিকামী মানুষকে প্রেরণা দিয়েছে। তার সৃষ্টিকর্ম চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে সংরক্ষিত থাকবে।
আজ দুপুরে মন্ত্রী রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গনে সদ্যপ্রয়াত বরেণ্য গীতিকার-চলচ্চিত্রকার গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন ও প্রার্থনা শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন। 
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের কিংবদন্তী গীতিকার, সুরকার, চলচ্চিত্র পরিচালক-প্রযোজক গাজী মাজহারুল আনোয়ার প্রায় ২০ হাজার গান রচনা করেছেন। বিবিসি’র জরিপে সর্বকালের সেরা ২০টি বাংলা গানের মধ্যে তার তিনটি গান রয়েছে। সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদক, ৬ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ তার অর্জিত পুরস্কারের সংখ্যা নজিরবিহীন। 
আকস্মিকভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও মাজহারুল আনোয়ার তার কাজের মাধ্যমে যুগ যুগ ধরে তিনি বেঁচে থাকবেন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি যদি আরো বেঁচে থাকতেন, আমাদের চলচ্চিত্র, গান তথা সংস্কৃতি অঙ্গণকে আরো সমৃদ্ধ করে যেতে পারতেন। তার মৃত্যু আমাদের পুরো জাতির জন্য, সংস্কৃতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।
মাজহারুল আনোয়ারের কীর্তি সংরক্ষণের বিষয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, এফডিসির নতুন ভবন হচ্ছে। দেশের সেরা সুরকার, গীতিকার, চলচ্চিত্রকারদের কর্মগুলো সেখানে সংরক্ষিত থাকবে। এজন্য একটি জায়গা নির্ধারণের বিষয়েও আমরা ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি।’ 
বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, শাহ আলম কিরণ, প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির নেতা খোরশেদ আলম খসরু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা ও নেতৃবৃন্দের মধ্যে অভিনয়শিল্পী ও পরিচালক রোজিনা, দিলারা, অরুণা বিশ্বাস ও মীযান রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat