×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৭-০৮
  • ৩৪৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড,এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, সিলেটের পুরাতন জেলটি নানা কারণে ঐতিহাসিক গুরুত্ববহন করে,তাই সেটার কিছু অংশ স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষণ করে পুরাতন এই জেলের পুরোটা এলাকায় দৃষ্টিনন্দন উদ্যান করা হবে।
মন্ত্রী আজ শুক্রবার বেলা দুইটায় ভারত সরকারের অর্থায়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বাস্তবায়নাধীন  মহানগরের ঐতিহ্যবাহি ধোপাদিঘীর উন্নয়ন কাজ পরিদর্শণকালে এ কথা বলেন ।
এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন,সিলেটের পুরাতন জেলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কারান্তরীন  রাখা হয়েছিল। যে কক্ষে তাঁকে রাখা হয়েছিল সেটি আমরা স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষণ করে রাখতে চাই। এই জেলটির ফাঁসির মঞ্চটিও ঐতিহাসিক গুরুত্ববহন করে।  এখানে দেশের একমাত্র মহিলা করিমুন্নেছাকে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। ফলে ঐতিহাসিক কারণে এটিকে আমরা সংরক্ষণ করতে চাই। এছাড়া পুরাতন এই জেলের পুরোটা এলাকায় দৃষ্টিনন্দন উদ্দ্যান করা হবে বলেও তিনি জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিলেট নগরীর প্রাণকেন্দ্রে পুরাতন জেল রয়েছে। যদিও ওখানে বর্তমানে কোন কয়েদী থাকেন না। নতুন জেলে সকল কয়েদী হাজতিদের স্থানান্তর করা হয়েছে। নতুন জেলে পর্যাপ্ত সুবিধা রয়েছে। তাই আমরা নগরবাসীর প্রয়োজনে সেটাকে কাজে লাগাতে চাই। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ধোপাদিঘীকে সংরক্ষণের জন্য ভারত সরকারের অর্থায়নে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এই প্রকল্পের কাজ করছে। নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে। সিলেট নগরের ঐতিহ্যবাহি এবং অন্যতম বৃহৎ এই দিঘীটি বেদখল হয়ে গিয়েছিল। সিলেট সিটি কর্পোরেশন এটি উদ্ধার করেছে। আকর্ষনীয় ওয়াকওয়ে নির্মাণ করেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এখানে বেড়াতে আসেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জলাশয় দখল করা পছন্দ করেন না। এখানে বেদখল হওয়া ঐতিহ্যবাহী ধোপাদিঘী উদ্ধার করে ঢাকার হাতিরঝিলের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করায় সিটি মেয়র, কাউন্সিলরদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তারা ভালো কাজ করেছেন। এসময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো,মজিবুর রহমান, সিসিকের পদস্থ কর্মকর্তাগন, সিসিকের কাউন্সিলর বৃন্দ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্হিত ছিলেন। প্রসঙ্গত কিছুদিন আগে এলজিআরডি মন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ঢাকায়  নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূতসহ এ প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়।  পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেট মহানগরীর ২২ ও ২৪ নং ওয়ার্ডে বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat