×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৭-০২
  • ৩৯৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পর্তুগালের লিসবনে শুক্রবার ২,০০০ বর্গমিটার জমিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন নিজস্ব তিনতলা চ্যান্সারি ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। নতুন ভবন উদ্বোধনের পর তিনি বলেন, এই ভবনটি শুধুমাত্র একটি নির্মাণ বা স্থাপনা  নয়, এটি পর্তুগালে আমাদের বন্ধুদের কাছে আমাদের এই বার্তা পৌঁছে দেয় যে, আমরা আমাদের অভিন্ন ইতিহাসের মূল্য দেই, আমরা বর্তমান সময়ের মানুষে মানুষের যোগাযোগ সুবিধাকে লালন করি এবং এর মাধ্যমেই  আমরা অনেক আশাবাদী  ভবিষ্যতের  প্রত্যাশা করি।    
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ড. মোমেন বলেন, চ্যান্সারি ভবন পর্তুগালে বর্তমান ক্রমরূপান্তরমান বাংলাদেশের উপস্থিতির একটি প্রতীক,  যা এর জাতীয় উন্নয়নের আকাক্সক্ষা পূরণে অর্থবহ কূটনীতিকে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে এর বৈশ্বিক পদাঙ্ককে শক্তিশালী  করতে প্রস্তুত। উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন ও ফিতা কাটার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী চ্যান্সারি ভবনের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত আলভারো মেন্ডোনোয়া ই মৌরা। মৌরা তার বক্তব্যে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার এবং পর্তুগালে বসবাসরত সকল প্রবাসীদের অভিনন্দন জানান। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, লিসবনে স্থায়ী চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত হবে।
স্বাগত বক্তব্যে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান বলেন, স্থায়ী চ্যান্সারী ভবনটি প্রকৃতপক্ষে বহুদিনের চাহিদার ফসল, কারন দূতাবাসের কাজ নানাভাবে বহুগূণ বেড়ে গেছে।  কনস্যুলার কার্যক্রমও বেড়ে গেছে  অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও পাবলিক  কূটনীতির কারণে ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্বের পর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী চ্যান্সারির বঙ্গবন্ধু কর্নারের উদ্বোধন করেন। তিনি ভবনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কনস্যুলার সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পর্তুগালে বাংলাদেশের নিজস্ব মালিকানাধীন দূতাবাস হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের আনন্দ কলতানে মুখরিত ছিল  চ্যান্সারির প্রবেশদ্বার। চ্যান্সারী প্রাঙ্গণের সাজসজ্জায় ছিল উৎসবের আমেজ।
লিসবনে বাংলাদেশের আবাসিক দূতাবাসটি প্রথম একটি ভাড়া ভবনে স্থাপিত হয়েছিল। ২০১২ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সালে চ্যান্সারি এবং রাষ্ট্রদূতের বাসভবনের স্থায়ী ঠিকানার জন্য দুটি সম্পত্তি কিনেছিল।
ভবনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে অভ্যর্থনা, মিলনায়তন, বঙ্গবন্ধু কর্নার, সভা কক্ষ, ভোজখানা, বড় প্রদর্শণী কক্ষ, আলাদা প্রবেশদ্বারসহ কনস্যুলার সার্ভিস এলাকা, প্রশস্ত অপেক্ষা কক্ষ এবং ফোয়ারা, কর্মকর্তাদের জন্য ছাড়াও বড় গণজমায়েতের আয়োজন করার জন্য উপযুক্ত বড় খোলা জায়গা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যান্সারি ভবনগুলোর একটি।
এর আগে সকালে মোমেন পর্তুগিজ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. জোয়াও গোমেস ক্রাভিনহোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পর্তুগালে বাংলাদেশ কমিউনিটি আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের উত্থাপিত সমস্যার কথা শোনেন এবং তাদের আশ্বস্ত করেন যে পাসপোর্ট এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি বাংলাদেশে ফিরে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat