×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৬-০২
  • ৫৬৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের হোটেল ও রেস্তোরাঁয় যাতে রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকান্ড না হয় সেদিকে সজাগ থাকা এবং আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সকলকে নিবন্ধনের আওতায় আসতে আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ ২০১৬ বিধি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়ন করা হয়ে থাকে। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কিছু মালিক তা না মেনে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সমিতির নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
ডিসি মমিনুর রহমান বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের হোটেল ও রেস্তোরাঁ সেল থেকে ছাড়পত্র ও নিবন্ধন ছাড়া হোটেল ব্যবসা পরিচালনাকারীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রামে নির্বন্ধনের বাইরেও অসংখ্য আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ পরিচালনা করা হচ্ছে। এভাবে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করায় সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
তিনি বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে নিবন্ধন ছাড়া চলমান হোটেল ও রেস্তোরাঁকে নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে। না হলে এসব অবৈধ হোটেল ও রেস্তোরাঁর মালিকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, করোনার কারণে গত দুই বছর হোটেল ব্যবসা অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক। এখন হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় গতিশীল করতে মালিক সমিতিকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।
এছাড়া হোটেল ও রেস্তোরাঁকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা, কর্মচারীদের ডাটাবেইজ তৈরি করা এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে লাইসেন্সে তথ্য দেওয়ার নির্দেশনাও প্রদান করেন তিনি।
পাশাপাশি হোটেল ও রেস্তোরাঁয় পলিথিন ব্যবহার না করা ও মানসম্মত খাবার পরিবেশন করার নির্দেশও দেন তিনি। সভায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ছাড়াও বিভিন্ন হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat