×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-১১-০৭
  • ৩২৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাসের মহাদুর্যোগে যে কৌশল ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সারা বিশ্বে তা প্রশংসিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
তিনি আজ রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডি’র উদ্যোগে আয়োজিত‘ সিপিডি এশিয়া ফাউন্ডেশন ডায়ালগ অন কোভিড ইনডিউসড স্টিমুলাস প্যাকেজ ফর এসএমইস এন্ড ওমেন লেড এন্টারপ্রাইজেস’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের কারণে প্রত্যেক দেশের সরকার প্রধান নানা কৌশল অবলম্বন করেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে লকডাউনে যে কৌশল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারীকালে ইউরোপের দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে। আর সে সময় বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষতার সঙ্গে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
মন্ত্রী বলেন, মহামারীকালে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অনেকটা থমকে দাঁড়িয়েছিল। আমাদের প্রত্যেকটি সেক্টরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ক্ষতি মোকাবেলায়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা উদ্যোগ নেন। 
তিনি বলেন, গার্মেন্টস, ব্যাংক, কলকারখানাসহ বিভিন্ন সেক্টরে ক্ষতি মোকাবেলায় সরকার ২৮টির বেশি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এতে দেশ মহামারীতে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা খুব দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে ।
তিনি আরো বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, তৈরি পোশাক ও চামড়াশিল্পের দুস্থ শ্রমিক, রপ্তানিমুখী শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কৃষিজীবী চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী, দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং গৃহহীন দরিদ্র জনগোষ্ঠীসহ সকল মানুষের কথা চিন্তা করে প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে সরকার।
তাজুল বলেন, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে দায়িত্ব নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মাথাপিছু আয় ৮৯ থেকে ২৭৭ ডলারে উন্নীত করেছিলেন। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেটা আজ দুই হাজার ২৭৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করতে হলে সাধারণ মানুষসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৈষম্যমুক্ত দেশ গড়ার জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর স্বপ্নপূরণে শেখ হাসিনা এখন কাজ করে যাচ্ছেন।
সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ এমপি, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত এইচ ই এলেক্সজান্ডরা বের্ড বন, এশিয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিব কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ, বাংলাদেশ ব্যাংক এসএমই এবং স্পেশাল প্রোগ্রাম বিভাগের সহ মহা-ব্যবস্থাপক লিজা ফাহমিদা প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat