×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৯-০৩
  • ৫৯০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হার দশ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। সংখ্যায় ও আড়াই মাসের মাসের মধ্যে গত দু’দিন সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। 
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রিপোর্টে দেখা যায়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৪০ জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়। সংক্রমণের হার ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন দুই জন ও করোনামুক্ত হন ৫৫২ জন। হোম আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইনে নতুন করে যুক্ত হন ১৭২ জন। ছাড়পত্র নেন ৪০৮ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১ হাজার ৭৫৯ জন।
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট অনুয়ায়ী, গতকাল বৃহ্সতিবার এন্টিজেন টেস্ট ও আটটি ল্যাবে ১ হাজার ৪৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নতুন শনাক্ত ১৪০ জনের মধ্যে শহরের ৮১ এবং ১৩ উপজেলায় ৫৯ জন। জেলায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৯৯ হাজার ৭৬৬ জন। সংক্রমিতদের মধ্যে শহরের ৭২ হাজার ৫০৪ ও গ্রামের ২৭ হাজার ২৬২ জন। উপজেলা পর্যায়ে গতকাল শনাক্ত ৫৯ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ফটিকছড়িতে ১৮, হাটহাজারীতে ১৬, সীতাকু-ে ৮, বোয়ালখালীতে ৬, রাউজান ও চন্দনাইশে ২ জন করে এবং মিরসরাই, সন্দ্বীপ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, পটিয়া ও সাতকানিয়ায় ১ জন করে রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় শহর ও গ্রামের একজন করে করোনা রোগীর মৃত্যু হয়। জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা এখন ১ হাজার ২৩৯ জন। এর মধ্যে ৬৯৩ জন শহরের ও ৫৪৫ জন গ্রামের। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেছেন ৫৫২ জন। মোট আরোগ্যলাভকারীর সংখ্যা ৭৩ হাজার ১২৭ জনে উন্নীত হয়। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৯ হাজার ৮৭১ ও বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসায় সুস্থ হন ৬৩ হাজার ২৫৬ জন। 
উল্লেখ্য, গতকালের ২ জনসহ এ মাসের প্রথম দু’দিনে কভিড-১৯ এ ৭ জন মৃত্যুবরণ করেন। আক্রান্ত হন ২৮০ জন এবং আরোগ্যলাভ করেন ১ হাজার ১৩৫ জন। 
রিপোর্টে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৪২৯ জনের নমুনা পরীক্ষা হয় ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস ল্যাবে। এখানে শহরের ২৯ ও গ্রামের ২৮ জন জীবাণুবাহক চিহ্নিত হন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ল্যাবে ৩৩১ জনের নমুনা পরীক্ষায় শহরের ২৩ ও গ্রামের ৯ জনের দেহে ভাইরাসের উপস্থিতি মিলে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১৮৮ জনের নমুনায় শহরের ১৭ ও গ্রামের ১৬ জন পজিটিভ শনাক্ত হন। ১৮ জনের এন্টিজেন টেস্টে গ্রামের ২ জন আক্রান্ত বলে জানানো হয়। আন্দরকিল্লা জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে ৪ জনের নমুনায় নেগেটিভ রেজাল্ট আসে।  
এদিকে, বেসরকারি ল্যাবরেটরির মধ্যে শেভরনে ৩৬৪ নমুনা পরীক্ষা করা হলে শহরের ২ ও গ্রামের ১টি, মা ও শিশু হাসপাতালে ২৫ নমুনার মধ্যে শহরের ৪টি এবং এপিক হেলথ কেয়ার হাসপাতালে ২৯ নমুনায় শহরের ৬ ও গ্রামের ২টিতে ভাইরাসের প্রমাণ মিলে। 
চট্টগ্রামের ৫৪টি নমুনা এদিন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে পাঠানো হয়। পরীক্ষায় গ্রামের একটির পজিটিভ এবং বাকীগুলোর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। 
তবে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ও মেডিকেল সেন্টারে কোনো নমুনা পরীক্ষা হয়নি। 
ল্যাবভিত্তিক রিপোর্ট বিশ্লেষণে বিআইটিআইডি’তে ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ, চমেকে ৯ দশমিক ৬৭, সিভাসু’তে ১৭ দশমিক ৫৫, এন্টিজেন টেস্টে ১১ দশমিক ১১, আরটিআরএলে ০ শতাংশ, শেভরনে ০ দশমিক ৮২, মা ও শিশু হাসপাতালে ১৬, এপিক হেলথ কেয়ারে ২৭ দশমিক ৫৮ এবং কক্সবাজার মেডিকেলে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ সংক্রমণ হার নির্ণিত হয়। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat