×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৩-২০
  • ৬০২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ছিলেন আওয়ামী লীগের এক অকুতোভয় সৈনিক। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন।
আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে প্রায়ত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্মরনে আয়োজিত এক স্মরন সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রায়ত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটি এই স্মরণ সভার আয়োজন করে।
বর্তমান সময়ে জিল্লুর রহমানের খুব প্রয়োজন ছিলো উল্লেখ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, তিনি সব সময়ে তাঁর কর্তব্য একনিষ্ঠভাবে পালন করেছেন। আমাদের চিন্তা-চেতনায় জিল্লুর রহমান একজন সফল রাজনীতিবিদ ও সফল নেতা হিসেবে রয়েছেন। সবাইকে নিয়ে চলার যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এটা সুন্দরভাবে মৃত্যুর আগপর্যন্ত জিল্লুর ভাই পালন করে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনর পাশে আজকে তাঁর থাকার প্রয়োজন ছিলো।
তিনি বলেন, জিল্লুর রহমান সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মগ্রহণ করেননি। তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন, মন্ত্রী ছিলেন কিন্তু তাঁর পেছনে অনেক বড় সংকল্প কাজ করেছে। সবার স্নেহ, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিয়েই তিনি পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।
মৃত্যুবার্ষিকী পালন কমিটির সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সস্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, পানি-সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, যেখানে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের মতো নেতা ভোটে পাস করেছেন, আর সেখানের মানুষ সাম্প্রদায়িক চেতনার দ্বারা আচ্ছান্ন হবে এটা অবিশ্বাস্য এবং এটা গভীর ষড়যন্ত্র। আজকে সুনামগঞ্জ কেন সবখানেই স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বা অপশক্তি ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে। প্রত্যেকের দায়িত্ব এই অপশক্তি বা সাম্প্রদায়িক চেতনাকে রুখে দাঁড়ানো।
মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আজকে বিএনপির নেতারা গণতন্ত্রের কথা বলে, আমি সবসময় বলি আর যাই হোক বিএনপির মত সন্ত্রাসী দলের মুখ থেকে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না এবং জাতি শুনতেও চায় না। এই দল ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশে সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়েছিল। গণতন্ত্র কবর দিয়েছিলো।
প্রায়ত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, জিল্লুর রহমান সাহেব শেখ মুজিবের একজন একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তিনি রাজনীতির কারণে কখনো আওয়ামী লীগ, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা এই চারটি বিষয়ে কখনো কারো সঙ্গে আপোস করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat