×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৫-৩০
  • ৩৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে : কৃষিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:-কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত রেখে এই চাল রফতানি করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ধানের কম বাজার মূল্যের বিষয়ে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিমুক্ত রেখেই এই ১০ থেকে ১৫ লাখ টন চাল রফতানি করা হবে। পাশাপাশি আমাদের লক্ষ্য চাল আমদানী নিরুৎসাহিত করা এবং চাল রপ্তানিকে উৎসাহিত করা।’
শ্রমিক সংকট নিরসনে কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিক সংকট নিরসনে যান্ত্রিকীকরণে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে বিগত অর্থবছরের রাজস্ব বাজেট বাবদ বরাদ্দকৃত ভর্তুকি খাতের তিন হাজার কোটি টাকা যান্ত্রিকীকরণ খাতে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ মোতাবেক খসড়া প্রকল্প প্রণয়নও করা হয়েছে।’
চাহিদার অতিরিক্ত চাল আমদানি ও তার বড় অংশ মজুদ থাকা এবং এবার অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণেই ধানের দাম কমেছে জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চাহিদার অতিরিক্ত চাল আমদানি ও তার বড় অংশ মজুদ থাকা এবং এবার অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণেই ধানের দাম কমেছে। ভবিষ্যতে ধানের ক্রয়মূল্য আগেই নির্ধারণ ও চাষিদের তালিকা করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। এ লক্ষ্যে গুদামের ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।
সাংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী জানান, ধানসহ কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের লক্ষ্যে চাষিদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে ফসলের ক্রয়মূল্য অগ্রিম নির্ধারণ করা এবং মৌসুমের শুরুতেই সরাসরি কৃষক পর্যায় থেকে ধান সংগ্রহসহ এমন বেশকিছু দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করেছে।
এছাড়াও ধানের ন্যায্যমূল্য দিতে দ্রুত পদক্ষেপ হিসাবে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় এবং চালের আমদানি শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ শতাংশ করা হয়েছে বলে মন্ত্রী।
আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নন-ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য উপকরণে প্রণোদনা বৃদ্ধি, সেচের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ব্যয় কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ এবং এক্ষেত্রে প্রয়োজনে প্রণোদনা আরও বৃদ্ধি করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জমান উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat