×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৬-১৯
  • ৩৭৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীর সঙ্গে ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক:-  ইরাকে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এ এম এম ফরহাদ আজ বুধবার দুপুরে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীকের সঙ্গে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব আবু বকর সিদ্দিক, বিজেএমসি’র পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. আব্দুল মজিদ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে দু’দেশের বস্ত্র ও পাট শিল্পের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও এর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বলেন, কুয়েত-ইরাক যুদ্ধের আগে ইরাক বিজেএমসি’র পাটপণ্যের একটি নিয়মিত বাজার ছিল। ১৯৯৭ সালে গ্রেইন বোর্ড অব ইরাকের সঙ্গে ৩৮ হাজার বেল পাটপণ্য বিক্রয়ের দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইরাক-ইরান যুদ্ধের ফলে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞার কারণে ৫ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলারের পণ্যমূল্য অনাদায়ী রয়ে যায়। এ বিষয়ে কাজ করতে তিনি রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহবান জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ইরাকের বন্ধুত্বের সম্পর্ক শুধু অর্থনৈতিকই নয় ঐতিহাসিকও বটে। ইরাক বাংলাদেশ বন্ধুপ্রতীম দেশ। দু’দেশের নিয়মিত বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরো জোরদার হচ্ছে। সেজন্য ইরাকে বস্ত্র ও পাটখাতের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে তিনি কাজ করে যাবেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat