×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৯-০৬
  • ৩৮১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
‘খালেদাকে ক্যামেরা ট্রায়ালে সাজা দিতেই কারাগারে আদালত’
নিজস্ব প্রতিনিধি:-বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে কারা অভ্যন্তরে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে সাজা দেয়ার জন্যই বেআইনীভাবে অস্থায়ী আদালত গঠন করা হয়েছে দাবি করে সুপ্রীম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জয়নুল আবেদীন বলেছেন, এই আদালতে বিচার কার্যক্রম চলার আইনগতভাবে কোনো সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।তিনি আরো বলেন, সাধারণ জনগণ যাতে বিচারের নামে সরকারের বেআইনী কার্যক্রম দেখতে বা বুঝতে সক্ষম না হয় সে জন্য বকশীবাজার আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের পরিবর্তে ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে বেগম জিয়ার মামলা শুনানীর জন্য অস্থায়ী আদালত স্থাপন করা হয়েছে।‘আমরা এক প্রজ্ঞাপনে দেখলাম আদালত স্থানান্তরের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে, আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে এই মামলার বিচার কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে এলাকাটি জনাকীর্ণ থাকে বিধায় নিরাপত্তাজনিত কারণে আদালত কারাগারের ভিতরে স্থানান্তর করা হয়েছে।’সংবিধানের আর্টিক্যাল ৩৫(৩) এবং ফৌজদারী কার্যবিধি ৩৫২ ধারা উল্লেখ করে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘সেখানে আদালত বলতে একটি উন্মুক্ত আদালতের কথা বলা হয়েছে; যেখানে যে কোনো মানুষের সাধারণভাবে প্রবেশাধিকার থাকে। কিন্তু ঢাকার পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের যে ৭নং কক্ষটিকে আদালত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে তা সংবিধানের আর্টিক্যাল ৩৫(৩) এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৫২ ধারা অনুযায়ী কোনো উন্মুক্ত আদালত নয় বা হতে পারে না।’‘সেখানে পাবলিক তো দূরের কথা বেগম খালেদা জিয়া ও অন্যান্য আসামিদের আইনজীবী, আসামিদের আত্মীয়-স্বজন কিংবা খালেদা জিয়ার দলীয় নেতা-নেত্রীদের প্রবেশ এবং আদালতের কার্যক্রম দেখা বা শোনার কোনো সুযোগ নাই।’বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জয়নুল আরো বলেন, আমরা যেটুকু শুনতে পেয়েছি যে, আদালত কক্ষটি ২৪ ফুট বাই ২৬ ফুট আয়তনের। নাটক-সিনেমায় যে রকম দেখানো হয়; সেই আকৃতির একটি আদালত কক্ষ বসানো হয়েছে যেটি একটি গুহার মতো স্যাঁতস্যাঁতে এবং সেখানে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসও নেয়ার ব্যবস্থা নেই।ফলে কারা অভ্যন্তরে গঠিত আদালতটি মোটেই উন্মুক্ত আদালত না হওয়ায় এবং সেখানে পাবলিক ট্রায়াল হওয়ার কোন সুযোগ না থাকায় এইরূপ বেআইনী আদালতে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার বিচার কার্যক্রম চলার আইনগত কোন সুযোগ নেই।’সুপ্রিম কোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।এই সংবাদ সম্মেলনের পর জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের পক্ষ থেকে দুটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এতে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর সারাদেশের আইনজীবী সমিতিতে মানববন্ধন ও আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রতীকী অনশন পালনের আহবান জানানো হয়।জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার শুনানি এতদিন চলছিল কারাগার থেকে কয়েকশ গজ দূরে বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন কারা অধিদপ্তরের মাঠে স্থাপিত বিশেষ এজলাসে। মঙ্গলবার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তা পুরনো কারাগারের ভেতরে স্থানান্তর করে আইন মন্ত্রণালয়।নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ভেতরে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে গতকাল বুধবার মামলার শুনানিতে খালেদা জিয়া বলেন, এই আদালতের উপরে তার কোনো আস্থা নেই। আদালত যা ইচ্ছা রায় দিক, যত দিন ইচ্ছা সাজা দিক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat