×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-১১-২৩
  • ৩৪৪৩৫১৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, আমরা বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের সাথে সৌহার্দ্র্য ও সম্প্রীতির সংযোগ বাড়াতে চাই।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের সাথে আমরা এক হয়ে কাজ করবো।’রাজধানীর বনানী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে গারো ঐতিহ্যবাহী ওয়ানগালা উদযাপন-২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গতকাল প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। 
সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, আমরা আমাদের আচার-আচরণ, পোশাক-পরিচ্ছদ, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ধারণ ও লালন করে যেতে চাই। তিনি বলেন, কোনো ভালো কাজের এপ্রিশিয়েশন করা, ভগবান বা দেবতাকে রাজি বা খুশি করার জন্য যে উৎসর্গ ও পূজা করা হয়, তার একটি অংশ হলো গারোদের এই ওয়ানগালা বা নবান্ন উৎসব। সকালে দেবতার উদ্দেশ্যে ফসল উৎসর্গের মাধ্যমে ওয়ানগালা উৎসব শুরু হয়। এ সময় শস্যদেবতা বা মিশি সালজং-এর পূজা করেন পুরোহিত জনসন ম্রিং। 
গারো সম্প্রদায় শরতের শেষে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে ফসল কাটার সময় নবান্ন উৎসব ওয়ানগালা উদযাপন করে থাকে। এবারের এ উৎসবের আরাধনা হলো সকল ব্যাধি কাটিয়ে যেন আগামী বছর অধিক ফসল উৎপাদন হয় এবং সকলের মঙ্গল ও শান্তি বহমান থাকে।
অনুষ্ঠানে গারো শিল্পীরা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে ‘জুম নৃত্য’, স্ল্যাস-এন্ড-বার্ন ডান্স পরিবেশন করে। ওয়ানগালা উৎসব উপলক্ষে বনানী কলেজ মাঠে ওয়ানগালা উদযাপন কমিটি গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প এবং পোশাক ও রকমারি তৈজসপত্র বিক্রয়ের জন্য বিভিন্ন স্টল স্থাপন করে।
গারো ঐতিহ্যবাহী ওয়ানগালা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সাগর রিছিলের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমার সহধর্মিনী নন্দিতা চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, নকমা (হেডম্যান) জনন্ত চিসিম, ঢাকা মেট্রোপলিটান ক্রিস্টিয়ান কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির চেয়ারম্যান অগাস্টিন পিউরিফিকেশন, টেট্রা ইঞ্জিনিয়ারিং লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নকমা অন্ত ঘাগরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat