×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৮-২৮
  • ২৩২৪৪৫০ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে মালয়েশিয়ার সমর্থন চেয়েছেন। বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা মো. হাশিম প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সমর্থন চান।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ান ও সার্কের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে।
কুয়ালালামপুর আসিয়ানের পরবর্তী চেয়ার হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাশিম বলেন, আসিয়ান সদস্যপদের বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূসের বার্তা মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেবেন। মালয়েশিয়া অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সাথে কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আপনাকে বিশ্বাস করি। আপনার জন্য শুভকামনা।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার চমৎকার অত্যন্ত সম্পর্ক এবং তিনি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদসহ মালয়েশিয়ার নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তার বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেন। অধ্যাপক ইউনূস মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের উদ্দেশে বলেন,‘ চলুন, আমরা সম্পর্ক উন্নয়নে আমাদের সর্বোচ্চ চেস্টা করি।’ মালয়েশিয়ার অন্তত সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনূস সেন্টার রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ সেন্টারগুলো থেকে সামাজিক ব্যবসায়িক ধারণা এবং থ্রি জিরো ধারণা প্রচার করা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাশিম বাংলাদেশে তার চার বছরের মেয়াদ শেষ করতে যাচ্ছেন। তিনি মোবাইল ফোন কোম্পানি রবি আজিয়াটাসহ অন্যান্য মালয়েশিয়ান কোম্পানির ক্ষেত্রে ট্যাক্স জটিলতার বিষয় তুলে ধরে বলেন, রবির আয়ের  প্রায় ৫০ শতাংশ কর হিসাবে জমা দিতে হয়। তিনি বলেন, সভরেন তহবিলে গঠিত কোম্পানিসহ মালয়েশিয়ার বেশ কয়েকটি কোম্পানি বাংলাদেশে ৫ বিলিয়নেরও বেশি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং শিক্ষাখাতসহ অন্যান্যখাতে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী।
হাইকমিশনার জানান,  মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চট্টগ্রাম ভিত্তিক একটি কোম্পানি  গাড়ি বাজারজাতকরণ এবং সংযোজনের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
এছাড়া কুয়ালালামপুর চিকিৎসা পর্যটনের জন্য একটি পছন্দের গন্তব্য হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশীরা এখানে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat