×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৮-১৫
  • ২৩৪৩৪৬৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবনে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর বীরত্বের কিছু দেখা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। 
আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে গণঅভ্যুত্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত রিকশাচালক শহীদ মোহাম্মদ কামালের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে তাঁর বাসভবনে গিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অর্থ সহায়তা হস্তান্তর করে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন।
রিজভী আহমেদ বলেন, ‘আজকে পতিত স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়ে কত কথাই তারা বলছেন। একদিন তার এক মন্ত্রী বলেছিলেন, তার পিতার নাম ধরে তার কন্যা কখনো পালিয়ে যায় না। আমরা তো শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবনে পালানো ছাড়া বীরত্বের কিছু দেখিনি।’
তিনি এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালের মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের পর পাঁচ বছর তিনি বিদেশে পালিয়ে ছিলেন। তিনি তার পরিবারের যে হত্যাকান্ড হয়েছিল সেটির প্রতিবাদ করতে এক বছর পরেই কিংবা ৬ মাস পরে দেশে আসতে পারতেন কিন্তু তিনি আসেননি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে তিনি দেশে ফিরতে পেরেছিলেন। দেশে ফিরেই তিনি ষড়যন্ত্র চক্রান্ত শুরু করেছিলেন। তিনি দেশে ফেরার ঠিক ১৩ দিনের মাথায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শাহাদাত বরণ করেন।’
আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে রিজভী বলেন, ‘শেখ হাসিনা তার আত্মীয়স্বজনসহ দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। আজকে যারা এখন আড়ালে আবডালে শেখ হাসিনার জন্য অশ্রুপাত করছেন তাদের মনে রাখা উচিত তিনি তার বোনকে নিয়ে হেলিকপ্টার যোগে নিজে পালিয়ে গেছেন। তার আত্মীয়-স্বজন সব পালিয়েছেন। আর আপনারা যারা নেতাকর্মীরা সামান্য খুঁদকুড়োর জন্য এই ১৭-১৮ বছর ধরে গণতন্ত্রকামী প্রতিবাদী মানুষের উপর যুবলীগ-ছাত্রলীগের পোশাক পরে নিপীড়ন নির্যাতন করেছেন, কত যে রক্ত ঝরিয়েছেন, তার কোনো শেষ নেই। আর আজকে তার জন্য আপনারা মায়া কান্না করছেন।’
তিনি আরও বলেন, আন্দোলন যখন বিজয়ের মুহূর্তে ঠিক সেই সময় রিকশাচালক কামাল সহ বহু মানুষ পৃথিবী থেকে চলে গেছেন। তারা গণতন্ত্রের বিজয়পুত্র। তারা গণতন্ত্রের এক অনন্য অসাধারণ সারথি, তাদের চালিত রথেই গণতন্ত্রের পতাকা উড়েছে।
এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি ডা. জাহিদুল কবিরসহ রিকশাচালক কামালের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat