×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৭-১১
  • ৩৪৪৫৬৫৯ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকারি চাকরিতে কোটা পুর্নবহাল-সংক্রান্ত হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর আপিল বিভাগের এক মাসের স্থিতাবস্থার আদেশের পর কেউ কর্মসূচির নামে রাস্তা বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, যে বিষয়টির উপর ভিত্তি করে আন্দোলন সেই ব্যাপারে আপীল বিভাগ গতকাল একটি রায় দিয়েছেন। অর্থাৎ ২০১৮ সালের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল সেটা বাতিলের বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের উপর ৪ সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে আন্দোলন করার আর কোনো যৌক্তিকতা আছে বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ মনে করে না। মনে রাখতে হবে আমাদের দেশের প্রচলিত আইন ও দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে আমরা বাধ্য।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, গত কয়েকদিন থেকে সরকারি চাকুরীতে কোটা বাতিলে আন্দোলন চলে আসছিল। যার প্রেক্ষিতে তারা গত ৬ জুলাই থেকে সারাদেশে ‘বাংলা ব্লকেড’ নামে কর্মসূচি পালন করে আসছে। ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায়ও তাদের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং কোথাও যেন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে।
তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অনুরোধ জানিয়েছে। সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েছি। যে কোন প্রোগ্রামের ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অত্যন্ত ধৈর্যশীল। অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে আমরা এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, গত ১০ দিনে একজন স্টুডেন্টও পুলিশের আচরণকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারেনি। কিন্তু এখন যদি রাস্তা বন্ধ হয়, তাহলে প্রচলিত আইন কার্যকর হবে। গত ১০ দিন যে সম্মানবোধ আমরা তাদের প্রতি দেখিয়েছি, আমাদের বিশ্বাস তারাও দেশের আইনের প্রতি সে বিশ্বাসটুকু রাখবে এবং সম্মান দেখাবে। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat