×
ব্রেকিং নিউজ :
নির্বাচন–পরবর্তী দুই শতাধিক সহিংসতায় নিহত ৩, আহত তিন শতাধিক: এইচআরএসএস অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মত প্রকাশের জন্য কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হয়নি: তথ্য উপদেষ্টা ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের কানাডার প্রতি ‘হস্তক্ষেপ দূর’ করতে সহযোগিত জোরদারের আহ্বান চীনের ওসমান হাদি হত্যা: সিআইডি’র তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৯ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের লড়াইয়ে ইউরোপকে পাশে চান রুবিও আজ ডা. শফিকুর ও নাহিদের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান মিনেসোটায় অভিবাসী ধরপাকড় ‘স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ’ : ওবামা মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা এআইকে ‘অস্ত্র’ বানাচ্ছে সাইবার অপরাধীরা, মোকাবিলায় ইন্টারপোলের নীরব যুদ্ধ
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৭-০৯
  • ২৩৪৩৫৪২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
নির্ধারিত সময়ে মার্কেট নির্মাণ সম্পন্ন করে ক্ষতিগ্রস্ত  দোকানিসহ অন্যান্যদের কাছে বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর করার মাধ্যমে ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জনে ইতিহাস রচনা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। 
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আজিমপুরে ‘আজিমপুর আধুনিক নগর মার্কেটে’র শুভ উদ্বোধন এবং দোকানের চূড়ান্ত বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর করা হয়। 
অনুষ্ঠানে ১৫ জন ক্ষতিগ্রস্তসহ বরাদ্দপ্রাপ্ত অন্যান্যদের মাঝে বরাদ্দপত্র ও চাবি হস্তান্তর করা হয়। ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হাসিবুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সোলাইমান  সেলিম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নিলুফার রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘এই মার্কেটটি তুলা মার্কেট নামে পরিচিত ছিল। এখানে মাত্র ১৫ জন দোকানি জরাজীর্ণ অবস্থায় কোন রকমে তাদের দোকানের  কার্যক্রম চালিয়ে যেত। করোনার মাঝেই ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে এই মার্কেট নির্মাণে আমরা ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করি। তখন অনেকেই শঙ্কিত ছিল। কারণ, ঢাকা সিটি করপোরেশনের অতীতের ইতিহাসে  দেখা যায় যে, ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিগ্রস্তই থেকে গেছে। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। এক মেয়র গিয়ে আরেক মেয়র আসে। ১৩, ১৫ ও ১৮ বছর হয়ে গেলেও মার্কেট নির্মাণ শেষ হতো না। তাই, স্বাভাবিকভাবেই এই মার্কেটের ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারেরা শঙ্কায় ছিল যে, তারা আর ব্যবসায় ফিরে আসতে পারবেন কিনা? আমরা কথা দিয়েছিলাম, নির্ধারিত সময়ের মাঝেই নির্মাণ সম্পন্ন করব এবং আবারও এখানে ব্যবসা পরিচালনার সুব্যবস্থা করে দেব। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছে। অত্যন্ত সুন্দর নান্দনিক এই নগর মার্কেট শুধু ক্ষতিগ্রস্তরাই না, আমরা ১১৭ জনের রুটি রুজির ব্যবস্থা করতে সক্ষম হয়েছি। নির্ধারিত সময়ের মাঝে নির্মাণ সম্পন্ন করে তা যথাযথভাবে হস্তান্তর করার মধ্য দিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সুশাসন নিশ্চিতে ইতিহাস রচনা করেছে। ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জনেও ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat