×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৬-২৩
  • ২৩৪৩৬১৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
চার দিন ধরে সিলেটে বৃষ্টি হয়নি, পাহাড়ি ঢলও থেমে গেছে। ফলে, সিলেট-সুনামগঞ্জে ধীরে ধীরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। অনেকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরলেও অপেক্ষায় আছেন ৩৩ হাজার ৬৩৯ জন মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, পানি কমতে থাকায় সুরমা-কুশিয়ারার তিনটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচে নেমেছে। অন্যান্য পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এখনও পানিবন্দি রয়েছে প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ মানুষ। পানি ধীর গতিতে নামার কারণে দুর্ভোগে পড়েছে তারা। তবে, দুই জেলায় সরকারি-বেসরকারি ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী তিন দিন সিলেটে বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই, তাপমাত্রা বাড়তে পারে। বৃষ্টি না হলে বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি ঘটবে।
সিলেট জেলা প্রশাসন বলছে, গত তিন দিনে সিলেট জেলায় ৯ হাজার ২৭৭ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরেছে। এখনও ১৫ হাজার ৭৩৮ জন নারী-পুরুষ-শিশু আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে। একই সময়ে সুনামগঞ্জ জেলায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরেছে ১০ হাজার ২০০ জন। এখনও ১৩ হাজার ৬৪৯ জন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে।
দুই জেলায় ১৫ লাখ ৪৫ হাজার ১১৪ জন মানুষ এখনও পানিবন্দি রয়েছে। যার মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় ৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৫৭ জন এবং সিলেট জেলায় ৮ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৭ জন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat