×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৫-২২
  • ২৩৪৩৪৪৬১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আয়ারল্যান্ড সরকার বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দিকে অগ্রসর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মিডিয়া রিপোর্টে এই কথা বলা হয়েছে।
আয়ারল্যান্ড মাসের শেষ নাগাদ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বলে ইঙ্গিত দেওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশের নেতারা স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (০৭০০ জিএমটি) একটি সংবাদ সম্মেলন যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।
জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম আরটিই এবং আইরিশ টাইমস উভয়ই রিপোর্ট করেছে যে, সিদ্ধান্তটি সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হবে।
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রন্ত্রনালয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ আয়ারল্যান্ডকে উল্লেখ করে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ‘ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিলে তা আপনাকে ইরান এবং হামাসের হাতে একটি দাবার গুটিতে পরিণত করার মতো ঝুঁকিপূর্ণ হবে।’ এতে আরো বলা হয়, এই পদক্ষেপ ‘কেবলমাত্র চরমপন্থা এবং অস্থিতিশীলতাকে প্রজ্জ্বলিত করবে’।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ গত সপ্তাহে বলেছেন, তিনি বুধবার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার তারিখ ঘোষণা করবেন। এরপরেই আইরিশ প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস, উপপ্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন এবং মন্ত্রী ইমন রায়ানের প্রত্যাশিত ঘোষণাটি দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সানচেজ মার্চ মাসে বলেছিলেন, স্লোাভেনিয়া এবং মাল্টার সাথে স্পেন এবং আয়ারল্যান্ড ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দিকে তাদের প্রথম পদক্ষেপ নিতে সম্মত হয়েছে। তারা স্থায়ী শান্তির জন্য দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানকে অপরিহার্য মনে করে।
ইসরায়েল বলেছে, ফিলিস্তিনি স্বীকৃতির পরিকল্পনা একটি ‘সন্ত্রাসবাদের জন্য পুরস্কার’ যা গাজা যুদ্ধে একটি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের সম্ভাবনাকে কমিয়ে দেবে।
কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ফিলিস্তিনিদের এবং তাদের ইসরায়েলি প্রতিবেশীদের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার শেষ প্রক্রিয়া হিসাবে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বেশিরভাগ পশ্চিম ইউরোপীয় দেশ বলেছে, তারা একদিন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে ইচ্ছুক। তবে চূড়ান্ত সীমানা এবং জেরুজালেমের অবস্থার (নিয়ন্ত্রন কিভাবে হবে) মতো কঠিন বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে নয়।
কিন্তু হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং গাজায় ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক অভিযানের পর কূটনীতিকরা বিতর্কিত ধারণাগুলো পুনর্বিবেচনা করছেন।
পশ্চিম ইউরোপে প্রথম ইইউ সদস্য হিসেবে সুইডেন ২০১৪ সালে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। সুইডেনে একটি বৃহৎ ফিলিস্তিনি সম্প্রদায় রয়েছে।
এটি এর আগে ছয়টি ইউরোপীয় দেশ বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড এবং রোমানিয়া ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়।
হামাস পরিচালিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়,ইসরায়েলের প্রতিশোধমূলক আক্রমণে গাজায় কমপক্ষে ৩৫,৬৪৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat