×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-২৯
  • ২৩২৪৩৫২৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
জমি-জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে পূর্ব শক্রতার জের ধরে কৃষক আব্দুর রহমান হত্যা মামলায় ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন বিচারক।
আজ সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মোঃ নুরুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন।
জয়পুরহাট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান, সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের কফিল উদ্দীনের পুত্র মোঃ আলাম ও কালাম, আব্দুস ছাত্তারের পুত্র মোঃ দোলা, ওসমান ও কোরবান, আব্দুল গফুরের পুত্র আজাদুল ও সাইদুল ইসলাম, খলিল আকন্দের পুত্র মোঃ লাবু, বাবু ও আমিনুর রহমান, বিরাজ উদ্দীনের পুত্র ফারাজ মন্ডল, সুন্নত আলীর পুত্র মোঃ শুকটু, নায়েব আলীর পুত্র মোঃ উকিল, ভরসা মন্ডলের পুত্র দুলাল হোসেন ও সানোয়ার, আলতাফ আলীর পুত্র আলীম হোসেন ও নজরুল ইসলাম, আব্দুস ছাত্তার প্রধানের পুত্র সাইফুল ইসলাম, সলেমান আকন্দের পুত্র জহুরুল ইসলাম।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে উকিল মিয়া ও জহুরুল ইসলাম এ মামলায় জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন বলে জানায় আদালত।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০২ সালের ২২ নভেম্বর রাতে জেলার পাঁচবিবি উপজেলার হরেন্দা গ্রামের সামছদ্দীন মুন্সির ছেলে আব্দুর রহমানকে হরেন্দা গ্রামের মাঠ থেকে ধরে নিয়ে আসে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা। আব্দুর রহমানকে আসামি কালামের বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রচন্ড মারপিট করে। রাতে সেখানেই আব্দুর রহমান মারা যান। এ ঘটনায় নিহত আব্দুর রহমানের ভাই আব্দুল বারিক মুন্সি ওরফে ফারুক বাদি হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা করেন।
পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে ২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারে ১৬ জনের সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক আজ সোমবার এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডঃ নৃপেন্দ্রনাথ সন্ডল পিপি ও এপিপি উদয় সিংহ এবং আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এ্যাডঃ মোস্তাফিজুর রহমান, শাহজালাল সিদ্দিকী তুহিন ও সোহেলী পারভীন সাথী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat