×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০৪-০৮
  • ৪৩৫৪৭৯৬ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যাংক লুটের ঘটনায় বান্দরবানে কেএনএফের তিন সদস্যসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-বান্দরবানের রোয়াছাড়ি উপজেলার রৌনিন পাড়া ভানুনন নুয়াম বম, থানচি ইউনিয়ন সদরের সিমৎলাং পাড়ার জেমিনিউ বম, আমে লানচেও বম এবং থানচি উপজেলার টিএন্ডটি পাড়ার বাসিন্দা গাড়িচালক মোহাম্মদ কফিল উদ্দিন।
সোমবার সকালে অভিযানে থানচি থেকে কেএনএফের তিন সদস্য ও ব্যাংক লুটের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক গাড়িচালকে আটক করেছে পুলিশ বলে জানিয়েছেন বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী।
তিনি জানান, রোববারের অভিযানে বান্দরবান সদরের রেইচা চেকপোস্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় ওই তিন কেএনএফ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও থানচি উপজেলা থেকে গাড়িচালককে আটক করা হয়েছে এবং জব্দ করা হয়েছে ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহৃত বোলারো গাড়ি।
এদিকে বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি এবং থানায় হামলার ঘটনায় কেএনএফ এর সন্ত্রাসীদের ধরতে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে। কয়েকদিন ধরে জেলার রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়িসহ দুর্গম পাহাড়ে এই অভিযান চলমান রয়েছে।
জানা যায়, যৌথ অভিযান আরো জোরালোভাবে পরিচালনা করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উপজেলার সার্বিক নিরাপত্তায় নেওয়া হচ্ছে নতুন-নতুন পদক্ষেপ। এরই অংশ হিসেবে চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বান্দরবানে আনা হয়েছে চারটি বিশেষ সাঁজোয়া যান (এপিসি)। আর এই বিশেষ সাঁজোয়া যান (এপিসি) পাঠানো হচ্ছে রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায়।
এদিকে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, প্রত্যেকটি এলাকায় আইন শৃঙ্খলার তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জনবল ও শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ছোট খাটো বিষয় আমরা খুব বেশি আমলে নিতে চায় না। আমরা কঠোর হস্তে দমন করতে চাই। কোন ধরনের সার্বিক পদক্ষেপ যাতে তারা না নিতে পারে সেরকম প্রস্তুতি আমাদের কিন্তু রয়েছে।
ব্যাংকিং কার্যক্রমের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকি কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে। যে উপজেলাগুলোতে ব্যাংকিং কার্যক্রম হচ্ছে না সেগুলো জেলা থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। আমরা জনগণের পাশে আছি।
এদিকে ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকে সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা ও লুটের ঘটনার জেরে বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি এই তিন উপজেলার সোনালী ও কৃষি ব্যাংকের কার্যক্রম গত বৃহস্পতিবার থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আর এই শাখাগুলোর কার্যক্রম বান্দরবান কার্যালয় থেকে চলমান রয়েছে বলে জানান ব্যাংক কর্মকর্তারা।
কৃষি ব্যাংক, বান্দরবান শাখার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোস্তফা এহতেহাম হায়দার মজুমদার জানান, আজ বান্দরবানের রুমা, রোয়াংছড়ি ও থানচি শাখার লেনদেন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat