×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০২-১৮
  • ৩২৮৭৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেছেন, ক্যাম্পাসে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে, শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘাত ও সংঘর্ষের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অনুরোধ জানান। তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ব্যবহারকারী কোনো দায়ী ব্যক্তি যেন রেহাই না পান, সে বিষয়েও সচেতন থাকতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
আজ রবিবার বিকাল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান আন্দোলন, সংঘাত ও সংঘর্ষসহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আকতার।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার বিকেলে দুই দফায় সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ সিক্সটি নাইন ও সিএফসি। এতে পুলিশের ৩ সদস্যসহ আহত হন ২৯ জন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্সন রোডস্থ চারুকলা ইনাস্টটিউটের সভা কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রক্টর ড. নুরুল আজিম সিকদার বলেন, চবি ক্যাম্পাসের ৭২টি পয়েন্ট প্রশাসন চিহ্নিত করেছে, যেখানে অবস্থান করে শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা মাদক গ্রহণ করে। এছাড়াও ক্যাম্পাসে মাদক প্রবেশের বিভিন্ন চ্যানেল রয়েছে।
শিক্ষকদের একাংশের আন্দোলন প্রসঙ্গে চবি উপাচার্য বলেন, উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করা এবং পরবর্তীতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার এবং উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করা থেকে প্রতীয়মান হয়, তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মধ্য দিয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করা।
সংবাদ সম্মেলনে চবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কেএম নূর আহমদ, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক এবং বিভিন্ন আবাসিক হলের প্রভোস্টসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্ষদে দায়িত্বরত শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat