×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০১-২৯
  • ৪৫৪৭৬৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রোববার ফিলিস্তিনী সংগঠন হামাসের সাথে ইসরায়েলের তুমুল যুদ্ধ চলছে।
এদিকে প্যারিসে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় ইসরায়েল, মিশর ও কাতারের কর্মকর্তাদের সাথে যোগ দিয়েছেন মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান।
ইসরায়েলী সেনাবাহিনী বলেছে, দক্ষিণ গাজায় বর্তমানের মূল যুদ্ধক্ষেত্র খান ইউনুসে প্রচ- যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, খান ইউনুসে রোববার ইসরায়েলী হামলায় অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে। এছাড়া এই এলাকা থেকে দিনভর গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে।
প্যারিসে মিসর, ইসরায়েল ও কাতারের কর্মকর্তাদের সাথে সিআইএ’র পরিচালক উইলিয়াম বার্নস বৈঠক করেছেন। ইসরায়েল গঠনমূলক আলোচনার খবর জানিয়েছে। তবে ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচনায় এখনও উল্লেখযোগ্য ফাঁক রয়ে গেছে। আগামী দিনগুলোতে আরো আলোচনা চলবে।
একটি নিরাপত্তা সূত্র নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে হামাসের কাছ থেকে জিম্মিদের মুক্তির জন্যে আলোচনা করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বার্নসকে প্যারিস পাঠিয়েছেন।
এদিকে যুদ্ধের তীব্রতার কারণে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের ফিলিস্তিনী শরণার্থী সংস্থার প্রতি সহযোগিতা আরো বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েলে হামলার সাথে জাতিসংঘের কর্মীরা জড়িত ছিল বলে ইসরায়েলী অভিযোগের পর যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানীসহ কয়েকটি দাতা দেশ ফিলিস্তিনী শরণার্থী সংস্থার জন্যে তহবিলে অর্থ দেয়া আপাতত বন্ধ করে দিয়েছে।
এই প্রেক্ষিতে গুতেরেস দাতা দেশগুলোর প্রতি আবশ্যকীয় সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, গাজার মরিয়া জনগোষ্ঠীর তীব্র চাহিদা অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনী শরণার্থী সংস্থার (ইউএনআরডব্লিওএ) প্রধান ফিলিপ্পে লাজ্জারিনি সতর্ক করে বলেছেন, তহবিল কমানোর অর্থ হলো গাজার ত্রাণ কার্যক্রমকে ধ্বংসের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া।
এদিকে জাতিসংঘে ইসরায়েলী দূত গিলাদ এরদান বলেছেন, ইউএনআরডব্লিওএকে দেয়া তহবিল সন্ত্রাসী কাজে ব্যয় হবে।
গিলাদ দাতাদের সংস্থাটি নিয়ে পুরো তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat