×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০১-২৫
  • ৩৪৫৮৫৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
শেরপুরে ব্যাটারি বিক্রি করতে গিয়ে অপহরণের শিকার হয়েছিলেন হিমেল। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রায় এক মাস আগে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান হিমেলকে অপহরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত গাড়ি চালক ছামিদুল হিমেলকে শেরপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাটারী বিক্রির সম্ভাবনার কথা জানিয়ে শেরপুরে যেতে আগ্রহী করে তোলেন।
খন্দকার আল মঈন বলেন, খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে হিমেল অপহরণের ঘটনার মূলহোতা মালেকসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বুধবার রাতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে হিমলেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও ওয়াকিটকিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, হিমেলের বাবা ব্যাটারী বিক্রয়ের ব্যবসা করতেন। হাসিবুর রহমান হিমেল রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত। তার বাবা ৪ মাস আগে মারা যাওয়ার পর হিমেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি তার বাবার ব্যবসা পরিচালনা করতেন। সে গতবছরের ২৬ ডিসেম্বর সকালে রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে শেরপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার গাড়ি চালক গ্রেফতারকৃত ছামিদুলকে নিয়ে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার যোগে রওনা করেন। পরবর্তীতে হিমেল গাজীপুরে সালনা এলাকায় পৌঁছলে গ্রেফতারকৃতরা তাকে অপহরণ করে।  
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা গ্রেফতারকৃত মালেক এবং অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছামিদুল হিমেলের বাসায় ৪ বছর যাবত গাড়ি চালক হিসেবে চাকরি করায় সুসম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাদের পারিবারিক আর্থিক ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সে জানতো। গতবছরের ১৬ ডিসেম্বর মালেকের নেতৃত্বে গ্রেফতারকৃতরা উত্তরার একটি জায়গায় সমবেত হয় এবং মালেক ও ছামিদুল হিমেলকে অপহরণ করে তার পরিবারের কাছ থেকে বিপুল অংকের মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গ্রেফতারকৃত ছামিদুল হিমেলকে শেরপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাটারী বিক্রয়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে শেরপুরে যেতে আগ্রহী করে তোলে। 

আল মঈন বলেন, গত ২৬ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় হিমেল শেরপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করলে গ্রেফতারকৃত ছামিদুল মালেককে বিষয়টি জানিয়ে দেয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত মালেক ও অন্যান্য সহযোগীরা ৩/৪টি মোটরসাইকেলযোগে  হিমেলের গাড়ি অনুসরন করতে থাকে এবং গাজীপুরের সালনায় এলাকায় পৌঁছলে গ্রেফতারকৃতরা মোটরসাইকেল দিয়ে হিমেলের গাড়িটি আটকিয়ে অপহরণ করে।
অপহরণকারীরা হিমেলকে নিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করে। পরে পরিবারের কাছে ২ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং তার ছেলেকে পাশবিক কায়দায় নির্যাতনের ভিডিও প্রেরণ করে। পরে র‌্যাব তাহিরপুরে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীদের গ্রেফতার করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat