×
ব্রেকিং নিউজ :
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে তরুণরাই শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভাষা শিখে বিনা খরচে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জাপানে চাকরির সুযোগ : মাহদী আমিন সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপে অভিযোগ: চসিকের উচ্ছেদ অভিযান সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের মধ্যে চেক বিতরণ বরগুনায় প্লাস্টিক দূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যসেবায় ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৪-০১-২৫
  • ৪৩৬৫১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বুধবার বলেছেন, ২৪ বছর সদস্যপদ থাকার পরও তাকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগকারী সংস্থায় পুনরায় নির্বাচন করতে বাধা দেয়া হচ্ছে। রুহানির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বলেছে, আশাবাদীদের যাচাই করার দায়িত্বে থাকা আইনবিদরা বিশেষজ্ঞদের অ্যাসেম্বলিতে নতুন মেয়াদের জন্য তার প্রার্থিতা ‘অনুমোদিত করেননি।’তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু বলা হয়নি।
তার ওয়েবসাইট বলা হয়েছে, দিনের শেষে রুহানি এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করেছেন। রুহানি ‘স্বৈরশাসক সংখ্যালঘুদের সংবিধান বিরোধী পদ্ধতির’ নিন্দা করেছেন।তিনি বলেন, ‘যারা রাজনৈতিক উদ্দেশে আমাকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে তারা ইসলামী বিপ্লব ও দেশের মালিক নয়, দেশের স্বার্থ নির্ধারণের ক্ষমতাও তাদের নেই।’মধ্যপন্থী রুহানি অভিযোগ করেন, ‘ক্ষমতাসীন সংখ্যালঘু’ শাসক গোষ্টি নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ হ্রাস করার জন্য চূড়ান্তভাবে’ নির্বাচন এবং ব্যালটগুলো সরাতে চায়,যাতে তারা একতরফাভাবে জনগণের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে’।
১৯৯৯ সালে সংস্থায় প্রথম নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট। তিনি গত নভেম্বরে ঘোষণা করেছিলেন, তিনি নতুন মেয়াদ চাইছেন।
রুহানি ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পদ ছাড়ার পর থেকে
তিনি তার উত্তরসূরি ইব্রাহিম রাইসির অতি-রক্ষণশীল প্রশাসন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের একজন কট্রর সমালোচক ছিলেন। যা ছিল তার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞদের অ্যাসেম্বলির কাজ ছিল নির্বাচন, তত্ত্বাবধান এবং প্রয়োজনে সর্বোচ্চ নেতাকে বরখাস্ত করা। তিনি ইরানের রাষ্ট্রীয় সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধন্ত নেন।
এই পদে ১৯৮৯ সাল থেকে এখনো অধিষ্ঠিত আছেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। এখন তার বয়স ৮৪ বছর।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat