×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১২-০৪
  • ৩৪৫১৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
গাজা উপত্যকায় হামাসের হাতে অপহৃত ও কয়েক সপ্তাহ ধরে আটক ৬ থাই জিম্মি মুক্তি পাওয়ার সোমবার দেশে ফিরবে। কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানায় ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের হামাস যোদ্ধারা সীমান্তে হামলা চালালে ১,২০০ জন নিহত ও প্রায় ২৪০ জনকে অপহরণ করে। ওই হামলার সময় কয়েক হাজার থাই ইসরায়েলে কর্মরত ছিল। যাদের বেশীরভাগ কৃষি খাতে নিয়েজিত ছিল। নিহতদেন বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক।
কমপক্ষে ৩২ জন থাই নাগরিককে হামাস অপহরণ করে। ব্যাংককের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও থাই মুসলিম গোষ্ঠী তাদের মুক্তির মধ্যস্থতা করে। খবর এএফপি’র।
সোমবার স্থানীয় সময় আনুমানিক বেলা ২টায় ছয় সপ্তাহ বন্দী থাকার পর মুক্তি পাওয়া ৬ জিম্মি রাজধানীর সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ তাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। তাদের মুক্তির পর থেকে তাদেরকে সূস্থতার জন্য চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে
এটি নভেম্বরের শেষে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি অনুসরন করে থাইল্যান্ড থেকে ১৭ জন নাগরিকের প্রত্যাবর্তন করা হয়। ১ ডিসেম্বরে যুদ্ধবিরতিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে অনেক লোককে মুক্তি দেওয়া হয়।
ব্যাঙ্ককের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অক্টোবরে ইসরায়েলে আন্ত:সীমান্ত অভিযানের সময় ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের হাতে জিম্মিদের মধ্যে আরও নয়জন থাই রয়েছেন।
ফিলিস্তিনি কর্মকর্তাদের মতে, ইসরায়েল ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার জবাবে গাজায় স্থল অভিযানের পাশাপাশি বিমান, কামান ও নৌ হামলার একটি বিশাল অভিযানের মাধ্যমে ১৫ হাজার ৫শ’র ও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।
অভিযানের সময় থাইল্যান্ডের ৩০,০০০ নাগরিক ইসরায়েলে ছিল। তাদের বেশিরভাগই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের দরিদ্র প্রদেশের অভিবাসী শ্রমিক।
থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধে,ঊনত্রিশ জন থাই নিহত ও ১৯ জন আহত হয়েছে। সরকার ত দের ৮,৫০০ জনেরও বেশি লোককে সরিয়ে নিয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat