×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১১-০৩
  • ৭৫৭০২ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আজ বলেছেন, বিএনপির শীর্ষ নেতারা ২৮ অক্টোবর নৈরাজ্য সৃষ্টির দায় এড়াতে পারেন না।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিএনপির শীর্ষ নেতারা সিদ্ধান্ত নেন এবং সেই সিদ্ধান্তে তাদের কর্মীরা প্রধান বিচারপতির বাসভবন, জাজেস কমপ্লেক্স ও নারীদের ওপর হামলা চালায় এবং এক পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা করে। সুতরাং, তারা দায় এড়াতে পারেন না।’ 
মন্ত্রী নগরীর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে বলেন, ‘পুলিশ তদন্তে তারা দোষী প্রমাণিত না হলে খালাস দেওয়া হবে। অন্যথায় তাদের নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তারা হরতাল-অবরোধ দিয়েছে, সমাবেশ করেছে। আমরা তা দেখেছি। এর আগে তারা আগের সমাবেশগুলোতে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছিল। কিন্তু ২৮ অক্টোবর তারা তাদের সমাবেশের শুরুতেই সহিংসতা শুরু করে।’
কামাল বলেন, শান্তি সমাবেশে যোগ দিতে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের নারী কর্মীদের ওপর হামলা হয়। পুলিশ তাদের রক্ষা করতে গেলে তারা পুলিশের ওপরও হামলা চালায়। তারা একের পর এক নৃশংসতায় লিপ্ত হয়ে পুলিশকে হত্যা করে। তারা সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালায়।
২৮ অক্টোবরের হামলায় একজন পুলিশ সদস্য মারা গেছে এবং অন্য একজন জীবনের জন্য লড়াই করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শুধু তাই নয়, তারা পুলিশ হাসপাতালে হামলা করেছে এবং অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে এবং যানবাহন ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র ভাংচুর করেছে। 
তিনি আরও বলেন, ‘যদি আমরা সমস্ত বিষয় পর্যালোচনা করি, সেদিন যারা উপস্থিত ছিলেন তারা কেউই ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টির দায় এড়াতে পারবেন না। ওই দিন তাদের নাইটিংগেল মোড়ে থাকার কথা ছিল, কিন্তু তারা হামলার উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়।
তবে নৈরাজ্যের ভিডিও ফুটেজে যারা ধরা পড়েছে তাদের শনাক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সড়কে অনেক উন্নতমানের ক্যামেরা বসিয়েছি; তারা সেদিন ক্যামেরাও ধ্বংস করেছে। তারপরও আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে।’
এর আগে সকালে আওয়ামী লীগ নেতারা বনানী কবরস্থানে জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্ব দেন। তারা শহীদ জাতীয় চার নেতার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করে। এর কিছুদিন পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহযোগী চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat