×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২৩-১০-২৭
  • ৪৫৯৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারা হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধে ‘মানবিক করিডোর এবং যুদ্ধবিরতি’ দাবি করে অবরুদ্ধ গাজায় আটকে থাকা বেসামরিক লোকদের জন্য ত্রাণ-সামগ্রী প্রবেশের আহ্বান জানিয়েছেন। জাতিসংঘ বলেছে গাজার ‘কোথাও নিরাপদ নয়’।
সংঘাত থেকে আঞ্চলিক ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ওয়াশিংটন সিরিয়ায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এবং অন্যদের ব্যবহার করে স্থাপনায় হামলা চালানোর পর সংঘাত না বাড়ানোর জন্য ইরানকে সতর্ক করেছে।
হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় জানায়, ইসরায়েলি হামলায় ৭,০৫০ এরও বেশি লোক নিহত হয়েছে। যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক লোক। অব্যাহত ইরায়েলি বিমান হামলার বিধ্বস্ত গাজায় অবরুদ্ধ বেসামরিক নিরাপরাধ লোকদের সুরক্ষার জন্য বিশ্বব্যাপী ক্রমশ চাপ বাড়ছে।
বৃহস্পতিবার দিনের শেষের দিকে ইইউ নেতারা ‘মানবিক প্রয়োজনের জন্য মানবিক করিডোর এবং সাময়িক যুদ্ধবিরতিসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে লোকদের কাছে অবিরত, দ্রুত, নিরাপদ বাধাহীন মানবিক সুবিধা এবং সহায়তা পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে গাজার ২৪ লাখ লোকের জন্য মাত্র ৭৪ ট্রাক খাদ্য, পানি এবং ওষুধ গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এসব সাহায্যকে গোষ্ঠী গুলো অত্যন্ত অপর্যাপ্ত বলে বর্ণনা করেছে।
সংঘাতের আগে জাতিসংঘের মতে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ ট্রাক প্রবেশ করত।
ইসরায়েল গাজায় খাদ্য, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে এবং জোর দিয়ে বলেছে, হামাস ব্যবহার করতে পারে বলে কোনো জ্বালানি আমদানি করা যাবে না।
এ কারনে গাজার ৩৫টি হাসপাতালের মধ্যে ১২টি বন্ধ করতে বাধ্য করেছে এবং ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে তার কার্যক্রম কমাতে’ শুরু করেছে।
ইউএনআরডব্লিউএর কমিশনার-জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি বলেছেন, ‘জ্বালানি ছাড়া, কোনও মানবিক প্রতিক্রিয়া হবে না, অভাবগ্রস্ত লোকেদের কাছে কোনও সাহায্য পৌঁছনো যাবে না। হাসপাতালের জন্য কোনও বিদ্যুৎ নেই, বিশুদ্ধ পানির সুবিধা নেই এবং রুটির প্রাপ্যতা নেই।’
ওয়াশিংটনসহ মিত্রদের দৃঢ় সমর্থন নিয়ে ইসরায়েল তার হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং হামাসকে ৭ অক্টোবর ২২৪ বিদেশী ও ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
জিম্মিদের ভাগ্য ইসরায়েলের পরিকল্পিত স্থল অভিযানের জন্য একটি জটিল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হামাসের সশস্ত্র শাখা বৃহস্পতিবার বলেছে, ইসরায়েলি বোমা হামলায় ‘প্রায় ৫০ ইসরায়েলি জিম্মি’ নিহত হয়েছে। এই দাবিটি এএফপি অবশ্য যাচাই করতে পারেনি।
চার জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে যারা এখনো জিম্মি রয়েছে তাদের আত্মীয়দের জন্য শোকের মাতম অব্যাহত রয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat