×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০২৩-০৮-১০
  • ৩১৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। জেলার অধিকাংশ এলাকায় লোকালয় থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপনের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে সংশ্লিষ্ট সকল দফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে কক্সবাজারে ৬০ টি ইউনিয়নে ৪ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় জেলায় ১২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।
গত ৫দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বুধবার এবং আজ বৃহস্পতিবার বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। লোকালয় এবং ডুবে যাওয়া সড়ক থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে নিচু এলাকায় কিছু কিছু বাড়িঘর ও এলাকা এখনও ডুবে রয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) বিভীষন কান্তি দাশ জানিয়েছেন, ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় কক্সবাজার জেলায় ৬০টি ইউনিয়নে ৪ লাখ ৮০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমি ধস ও পানিত ডুবে মারা গেছে ১২ জন।
তিনি জানান- বন্যা দুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৯ লাখ টাকা এবং ৮৩ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। ফসলী মাঠ ও সড়ক জনপদ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন করা হচ্ছে।
পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ তিন শিশুর মরদেহ বুধবার সন্ধ্যায় উদ্ধার করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন ওই গ্রামের নুরুল আলমের মেয়ে তাহিদা বেগম (১০) ও আমির হোসেন (৫) এবং একই এলাকার সাবের আহমদের মেয়ে হুমায়রা বেগম (৮)। উদ্ধার হওয়া শিশুরা মঙ্গলবার সকালে মাতামুহুরী নদীর ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ ছিল।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ান জানিয়েছেন, বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও এখনো নিচু এলাকায় বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন করা যাবে।
উল্লেখ্য বন্যায় জেলায় সবচেয়ে বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চকরিয়া এবং পেকুয়া উপজেলায়। এদিকে বন্যার পানিতে নির্মাণাধীন রেল পথেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat