×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৯-১৩
  • ৬২৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সারাদেশে ৫৫৫টি জয় ডিজিটাল সার্ভিস এমপ্লয়মেন্ট এন্ড ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে ইতোমধ্যে এই সেন্টার নির্মাণ কার্যক্রমকে অনুমোদন করে দিয়েছেন।    
প্রতিমন্ত্রী আজ নাটোরের সিংড়া উপজেলাতে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের মধ্যে ডিজিটাল পরিচয়পত্র এবং সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম সামিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। 
প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, জয় ডিজিটাল সার্ভিস এমপ্লয়মেন্ট এন্ড ট্রেনিং সেন্টার তরুণ-তরুণীরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ই-কমার্স উদ্যোক্তা, আইটি ফ্রিল্যান্সার, ইন্টারপ্রেনার এবং মন্ত্রণালয়গুলোর সরকারি সেবা পেতে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সল্যুশন সেন্টার হিসেবে কাজ করবে। সকল জেলায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ১৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষা গ্রহণ করছে। শিক্ষার্থীদের জন্যে তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য-২০৪১ সালের মধ্যে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর জ্ঞানভিত্তিক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলে। জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা, সাহসিকতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের পরিচিতিকে শ্রমভিত্তিক অর্থনীতির দেশ থেকে প্রযুক্তি নির্ভর মেধাবী জাতির দেশের পরিচয়ে পরিচিত করতে চাই আমরা।      
বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এদেশের সূর্য সন্তান উল্লেখ করে পলক বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জীবন বাজী রেখে তাঁরা দেশের জন্যে যুদ্ধ করে আমাদের স্বাধীন ভূখন্ড এনে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে মুক্তিযোদ্ধাগণ নিজেদের পরিচয় দিতে পারতেন না, তাদের চাকুরীর সুযোগ ছিলোনা। প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে সম্মানীত করেছেন। মাসিক সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকা করে প্রদান করছেন। তাঁর যুগান্তকারী পদক্ষেপে সকল মুক্তিযোদ্ধাগণ স্মার্ট আইডি কার্ড পাচ্ছেন। এই কার্ড তাদের আতœমর্যাদা ও সম্মানের প্রতীক। বিভিন্ন দাপ্তরিক সেবা পেতে এই কার্ড সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat