×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৮-১৮
  • ২৯৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সংঘ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভা করেছে ।
ঐতিহ্যবাহী কলকাতা বেঙ্গল ক্লাব মিলনায়তনে বুধবার সন্ধ্যায় দুই দেশের বক্তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকান্ড, তার পূর্বাপর বিষয় ও দুই দেশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
মৈত্রী সংঘের কার্যকরী সভাপতি শিশির কুমার বাজোরিয়ার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন প্রধান অতিথি এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার ইলিয়াস আন্দলিব সম্মানিত অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খায়রুজ্জামান লিটন বঙ্গবন্ধুকে চির অমলিন, চির ভাস্বর বর্ণনা করে বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যতো বেশি গভীর হবে, এই অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তা ততো বেশি নিশ্চিত হবে। তাতে দুই দেশই সমানভাবে লাভবান হবে। তিনি দুই দেশের মধ্যেকার এই সম্পর্ক ব্যবসা-বাণিজ্য, যোগাযোগ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সম্মানিত অতিথি আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, আমাদের একজন শেখ হাসিনা ছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার পরবর্তী ঘোর অমানিশা কাটিয়ে তার কালজয়ী নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে। একই সাথে তার অনন্য গতিশীল নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে আত্মমর্যাদা নিয়ে অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও বঙ্গবন্ধু কন্যার অসামান্য দক্ষতার কারণে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আজ নতুন এক মাত্রায় উপনীত, উল্লেখ করেন আমিন।
উপ-হাইকমিশনার আন্দালিব আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান ও তার দায়িত্বপালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। সভাপতি শিশির বাজোরিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধুকে কলকাতার মানুষ পরম মমতায় স্মরণ করে। বাংলাদেশের অতিথিদের এই সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।
স্থানীয় সুধীজন এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat