×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০৭-১৪
  • ৫০৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ভাষা আন্দোলনে চট্টগ্রামের যেসব ব্যক্তিবর্গ অবদান রেখেছেন তাদের কীর্তিগাথা নিয়ে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।
মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বাটালি হিলস্থ অস্থায়ী নগর ভবনের মেয়র দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।
সৌজন্য সাক্ষাতকালে মেয়র বলেন, বৃটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে চট্টগ্রাম সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামে যেসব ব্যক্তিবর্গ আন্দোলন সংগ্রামে নানাভাবে অবদান রেখেছেন, তাদের সম্মানে এবং নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ঐসব ব্যক্তিদের স্মরণে ইতিহাস সম্বলিত নামফলক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণাকারী মরহুম এম এ হান্নানসহ অনেকের নামফলক স্থাপন করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। একুশের প্রথম কবিতা ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’র রচয়িতা কবি মাহাবুবুল আলম চৌধুরীর নামে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পাবলিক লাইব্রেরির নাম নামকরণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়ে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, মাহাবুবুল আলম চৌধুরীর নামফলকটি স্থাপন করার সময় চট্টগ্রামের লেখক, কবি সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজিবীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বড় ধরনের একটি অনুষ্ঠান করার চিন্তা ভাবনা রয়েছে।
মেয়র আরো বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে জামালখান মোড়ে পাক হানাদার বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণের প্রথম শহীদ বশরুজ্জামান চৌধুরী, দিপক বড়–য়া ও জাফরের নামে যে স্মৃতিফলকটি চেরাগী পাহাড়ের মোড়ে স্থাপন করা হয়েছে খাস্তগীর স্কুলের সামনে দৃশ্যমান স্থানে তা পুনঃস্থাপন করা হবে। মেয়রের সাথে সাক্ষাতকালে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর এড. রানা দাশগুপ্ত বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে প্রীতিলতার আত্মদানকে স্মরণ করে রাখার জন্য পাহাড়তলীস্থ তৎকালীন ইউরোপিয়ান ক্লাবকে যাদুঘরে রূপান্তর করার জন্য ইতোমধ্যে মেয়র যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা বাস্তবায়নে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষসহ সকলের সহযোগিতা প্রদান করা উচিত। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সভাপাতি কমরেড শাহ্ আলম কবির, মাহাবুবুল আলম চৌধুরীর ভাষা আন্দোলনের অবদান ও আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা যে জায়গায় অবস্থান করে অবদান রেখেছেন তাদের ইতিহাস-সম্বলিত স্মৃতিস্তম্ভ করার চসিকের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা অমলেন্দু সরকার, পিনাকি দাশ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat