×
ব্রেকিং নিউজ :
দাঁড়িপাল্লা কেবল একটি প্রতীক নয়, এটি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার: ড. মাসুদ তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে রংপুরবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা কুড়িগ্রামে পোস্টাল ব্যালট বাক্সের লক উদ্বোধন, ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটগ্রহণ দিনাজপুরে ৬টি আসনে ৩৭ প্লাটুন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং মোতায়ন ২৩ মার্চ ‘বিএনসিসি দিবস’ ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহৃত পোষ্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে ছাপাখানাকে ইসির নির্দেশ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত শেরপুরের ঘটনায় ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার: ইসি সচিব জুলাই সনদের মূল কথা হলো মানুষের অধিকার বুঝে দেয়া : আলী রীয়াজ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন
  • প্রকাশিত : ২০১৮-০৪-০৮
  • ৯২৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:- দলিত বিক্ষোভে সুবিধাজনক অবস্থানে নেই বিজেপি। এরই মধ্যে বিজেপির এক সাংসদই বিজেপি সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাল। দিল্লি উত্তর-পশ্চিমের সাংসদ উদিত রাজের দাবি, ২ এপ্রিল ভারতে হরতালের পর থেকেই দলিতদের উপর নির্যাতন বেড়েছে। যেসব এলাকায় দলিতদের উপর নির্যাতন চরমে উঠেছে বলে তার অভিযোগ, তার সবগুলোই কিন্তু বিজেপিশাসিত রাজ্যের মধ্যে পড়ে। দলিতদের পাশে থাকার যে বার্তা মোদি সরকারের তরফ থেকে দেয়া হয়েছিল, তাকে এক রকম চ্যালেঞ্জই জানিয়েছেন উদিত রাজ। তার অভিযোগ, ‘২ এপ্রিল ভারত বন্ধের পর থেকেই গ্বালিয়র, জয়পুর, মেরঠ, কারোলির মতো জায়গায় দলিতরা সংরক্ষণ বিরোধীদের হামলার মুখে পড়ছেন। নির্যাতন চালাচ্ছে পুলিশও। দলিতদের ভুয়ো মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।’ এর আগে উত্তরপ্রদেশের দলিত বিজেপি সাংসদ ছোটেলাল খারওয়ার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে যোগি আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে বৈযম্যের অভিযোগ করেছিলেন। তার দাবি ছিল, বৈষম্যের কথা জানানোয় আদিত্যনাথ তাকে তিরস্কার করেছেন। তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের উপর নির্যাতন প্রতিরোধী আইন লঘু করার অভিযোগ তুলে ২ এপ্রিল বিভিন্ন দলিত সংগঠন যে হরতাল ডেকেছিল, তার প্রভাব পড়েছিল দেশের ন’টি রাজ্যে। এতে মৃত্যু হয়েছিল ১১ জনের। এদিকে দলের ভেতর থেকেই অভিযোগ ওঠায় মোদি সরকারের উপর চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat