×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-১৮
  • ৫৯৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতারণার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। 
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিট ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী এই অভিযোগ গঠন করেন। একইসঙ্গে আগামি ১৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।  
এ মামলার অপর আসামিরা হলেন, রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজ ও রিজেন্ট কেসিএস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শিপন আলী। 
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ জুলাই প্রতারণার অভিযোগে বালু ব্যবসায়ি এস এম শিপন বাদি হয়ে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
আসামি শিপন আলী ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর বাদির ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ১৯ কোটি ৭৫ লাখ টাকার ৫০ লাখ সিএফটি বালু সরবরাহের অর্ডার করেন। শিপন আলী বাদিকে পূবালী ব্যাংকের তিনটি চেক দেন। এদিকে অর্ডার অনুযায়ি এস এম শিপন ৬১ লাখ টাকার বালু সরবরাহ করেন। পরে চেকগুলো ব্যাংক থেকে ডিসঅনার হয়। শিপন আলীর কাছে বাদি বিল দাবি করেন। দেই, দিচ্ছি বলে তাকে ঘুরাতে থাকে। পরে শিপন আলী জানান, রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ এবং প্রতিষ্ঠানটির এমডি মাসুদ পারভেজের নির্দেশে তিনি বালুর অর্ডার দেন।  
২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সাহেদ ও মাসুদের কাছে বাদিকে নিয়ে যান শিপন আলী। সেখানে আসামিরা তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেন। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে প্রাণে শেষ করে দেওয়ার হুমকিও দেন। তখন বাদি নিশ্চিত হন তারা সবাই প্রতারক। বাদি বুঝতে পারেন, তারা বালু বিক্রির ৬১ লাখ টাকা প্রতারণা করে আত্মসাৎ করেছেন। 
২০২০ সালে ৮ নভেম্বর তিন জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক আকরাম হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat