×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২২-০১-০৩
  • ৯৫৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদে এমভি অভিযান-১০  লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ  আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ  সোমবার  সকাল ১১টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
তার নাম মো. রাসেল শেখ (৩৮)।  রাসেল মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার নোওয়াপাড়া  গ্রামের মৃত গাফফার শেখের পুএ। 
এরআগে আগুনে রাসেলের দু’সন্তান জীবন (১৪) ও ইমন (৯) লঞ্চেই মারা গিয়েছিল। এছাড়া রাসেলের শাশুড়ি মনোয়ারা বেগম (৬০) এবং তার শ্যালকের স্ত্রী রুমা (২০) ও রুমার মেয়ে অহনা (৩) একই ঘটনায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যায়। বর্তমানে রাসেলের স্ত্রী পুতুল এবং পুতুলের বড় ভাই কালু বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
এ নিয়ে লঞ্চ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ জনে দাঁড়ালো। 
আজ পর্যন্ত লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে রাসেলসহ চারজন শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে মারা গেছে।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাসেলের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ ছিল। তিনি আইসিউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
গত ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী ঝালকাঠির সুগন্ধা নদে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগে। লঞ্চের ইঞ্জিনরুমে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে। এ ঘটনায় নারী- শিশুসহ  ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আহত রয়েছেন শতাধিক যাত্রী, নিখোঁজও আছেন অনেকে। আহতদের রাজধানীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এরআগে গত বুধবার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে শাহিনুর খাতুন স্বপ্না (৪০) নামে এক নারী আইসিইউতে মারা যান  । বৃহস্পতিবার  রাতে ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন মারা যায় হাবিব খান (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। এছাড়া ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তামিম নামে এক শিশু মারা যায়। 
ডা. সামন্তলাল সেন জানান, লঞ্চে দগ্ধদের মধ্যে ২১ জনকে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে ৪জন মারা গেছেন। সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন পাঁচজন, এখনো ভর্তি রয়েছেন ১৩ জন। এই ১৩ জনের মধ্যে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন তিনজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat