×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-১২-১৬
  • ৪১৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে এসেও দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, পাশাপাশি গৌরবৌজ্জল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও বিকৃত করছে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র। এসব ষড়যন্ত্রকারী ও ইতিহাস বিকৃতকারীদের বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানিয়েছে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
তারা বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির অহঙ্কার এবং জাতির সবচেয়ে গৌরবের ইতিহাস হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। আর এই ইতিহাস যারা বিকৃত করে এবং বিজয়ের ৫০ বছরে এসেও যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে তারা ঘৃণ্য অপরাধী। এসব অপরাধীদের স্থান একমাত্র কারাগার।’ নেতৃবৃন্দ ইতিহাস বিকৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের গৌরবগাঁথা নিয়ে কেউ যেন কটু কথা বলতে না পারে এজন্য কঠোর আইন করে এ ধরনের অপরাধীদের দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করারও দাবি জানান।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন মৃদুলের নেতৃত্বে আজ জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। নেতৃবৃন্দ দিবসটি উপলক্ষে ধানমন্ডি বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে।
তারা ১ ডিসেম্বরকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা দিবস ও ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানান এবং ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে নির্বিচারে মানুষ হত্যাকারী, নারী নির্যাতনকারী, অগ্নিসংযোগকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান। কেন্দ্রীয় কমিটির পর দ্রুব আব্বাসের নেতৃত্বে ঢাকা জেলা কমিটি জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat