×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২১-০৮-০৯
  • ৪৭৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

গভীর শ্রদ্ধায় রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সহর্ধমিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯১তম জন্ম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
সেখানকার সময় অনুযায়ি গতকাল জুম প্লাটর্ফমে আয়োজিত অনুষ্ঠান সূচির মধ্যে ছিল বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে ১ মিনিট নিরবতা পালন, বাণী পাঠ, তাঁর জীবনের উপর নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন, আলাচনা সভা এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত।
ইতালি, মন্টেনিগ্রো ও সার্বিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন নেছা এবং ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ রাতে নিহত সকল শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শহিদ শেখ ফজিলাতুন নেছার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গমাতার আর্দশ বাঙ্গালি নারীদের কাছে সবসময় অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে বিবেচিত হবে। আহসান আরো বলেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে চিরদিন ছায়ার মতো থেকেছেন এবং বঙ্গবন্ধুকে জাতীয় ইতিহাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটময় ও কঠিন মুহুর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নীরবে সহায়তা করে গিয়েছেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাধীনতা পরর্বতী দেশ বির্নিমাণেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং বঙ্গমাতা শুধু জাতির পিতার সহধর্মিনী ছিলেন না, একই সাথে ছিলেন বাঙ্গালির মুক্তি সংগ্রামের অন্যতম অগ্রপথিক। রাষ্ট্রদূত সকলকে বঙ্গমাতার আর্দশে অনুপ্রাণিত হওয়ার আহবান জানান।
দূতাবাসের প্রথম সচিব এ এস এম সায়েম অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।
অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও মিলানে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল  ইকবাল আহমেদ এবং বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম কর্মীরা ডিজিটাল মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন। কম্যুনিটির বক্তাগণ বঙ্গমাতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁর আদর্শ অনুসরণের উপর জোর দেন। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন এবং কম্যুনিটির সদস্যবৃন্দ জুম মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat