×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০২০-১২-০৪
  • ৯৫৩ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক

পঞ্জাবি তারকাদের পর কঙ্গনা রানাউতের বিরুদ্ধে সরব দিল্লি শিখ গুরুদ্বার ম্যানেজমেন্ট কমিটি। ইতিমধ্যেই বলিউড অভিনেত্রীকে তাঁর বিতর্কিত টুইটের জন্য আইনি নোটিস পাঠিয়েছে তারা। দাবি, ‘কৃষকদের মা’ হিসেবে পরিচিত ‘শাহিনবাগ দাদি’কে নিয়ে যে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন কঙ্গনা তার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে তাঁকে। এক জন প্রবীণাকে এ ভাবে হেয় করার অধিকার তাঁর নেই।
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কেন এই আইনি পদক্ষেপ? কমিটির যুক্তি, কঙ্গনা যদি তাঁর বাংলো ভাঙা নিয়ে মুম্বই কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমর্থন চাইতে পারেন তাহলে দেশের কৃষকদেরও অধিকার আছে নয়া কৃষি বিল নিয়ে সংবিধান মেনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার। সেই প্রতিবাদকে, দেশের কৃষকদের কঙ্গনা এ ভাবে অবমাননা করতে পারেন না।প্রসঙ্গত, গত ২৭সেপ্টেম্বর দেশে নয়া কৃষি আইন পাশ হওয়ার পরেই আইন বাতিলের দাবিতে ‘দিল্লি চলো’ আন্দোলন শুরু হয়েছে। পঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকদের স্লোগানে এখন রাজধানীর চরিদিকে। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সারা দেশজুড়ে পথে নেমেছেন কৃষকেরা। তখনই এই প্রতিবাদকে ‘দেশদ্রোহিতা’ বলে দাগিয়ে দেন কঙ্গনা।শুধু এটুকুই নয়। সাম্প্রতিক টুইটে অভিনেত্রী আক্রমণ করতে ছাড়েননি শাহিনবাগ খ্যাত ৮২ বছরের বিলকিসকের।
বলেছেন, বিলকিস এই আন্দোলনেও হাঁটছেন! ১০০ টাকার বিনিময়ে নাকি বিভিন্ন প্রতিবাদে এঁদেরকে রাস্তায় নামানো হচ্ছে। টুইটে লেখেন, ‘লজ্জা...কৃষকের নামে যে যার আখের গোছাচ্ছে। আশা করি, দেশদ্রোহীরা যাতে সুযোগ নিতে না পারে, সে দিকে খেয়াল রাখবে আমাদের সরকার। তার ফলে শাহিনবাগের মতো আরও একটা হিংসার সূত্রপাত ঘটবে না আশা করি। রক্তলোভীদের দল ও টুকরে গ্যাংকে তাদের স্বার্থসিদ্ধি করার থেকে আটকানো উচিত।’ ডিএসজিএমসি-র পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, পরিস্থিতি বিচার করে সরকার যেন অতি দ্রুত কঙ্গনার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat