×
ব্রেকিং নিউজ :
দীর্ঘ ১৬ বছর পর নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুললো স্প্যানিশরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচারে খরচ প্রায় শূন্য, আগেরবার লেনদেন ছিল ১৪০ কোটির : তথ্যমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত : মির্জা ফখরুল ফেসবুকে মিথ্যা পোস্ট ও স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করানোর কারনে মানহানি মামলা ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-১০-০৩
  • ৩৬৫ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সরকার ই-সিগারেট নিষিদ্ধের বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছে

সরকার দেশে ই-সিগারেট নিষিদ্ধের বিষয়ে চিন্তা ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘ইমাজিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট (ই-সিগারেট, ভ্যাপিং) : বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পরিপ্রেক্ষিত ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন শেখ ইউসুফ হারুন।তিনি বলেন, ‘ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট এর ক্রমবর্ধমান ব্যবহার ও ক্ষয়ক্ষতি থেকে তরুণ ও যুব সমাজকে রক্ষা করতে দ্রুতম সময়ের মধ্যে ই-সিগারেট, ভ্যাপিংসহ সকল ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট উৎপাদন, আমদানি ও বিপণন নিষিদ্ধ করাই হবে বাংলাদেশের জন্য সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।’
শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, দেশে ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্ট এর ব্যবহার তরুণ এবং যুব সমাজের মধ্যে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বিক্রয় কেন্দ্র। অনলাইন এবং ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ই-সিগারেট সামগ্রী বিক্রয় হচ্ছে। ইতোমধ্যে পার্শ্ববতী দেশ ভারত ই-সিগারেট নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এছাড়া শ্রীলংকা, নেপাল, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ ৩০টির অধিক দেশ এসব পণ্য নিষিদ্ধ করেছে। সুতরাং এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা বাংলাদেশে কাজে লাগাতে হবে।’সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তামাক নিয়ে তাদের সর্বশেষ প্রতিবেদন ই-সিগারেটকে সুনিশ্চিতভাবে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে।বাংলাদেশে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমাদের জন্য নতুন। এক সময় ই-সিগারেট জাতীয় পণ্যকে সিগারেটের নিরাপদ বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও এখন বিভিন্ন গবেষণায় এর ক্ষতির বিষয়গুলো সামনে আসছে। সুতরাং আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা করছি।
সাউথ এশিয়া প্রোগ্রামস, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস্, ইউএসএ-এর পরিচালক বন্দনা শাহ বলেন, তরুণ এবং শিশুদের টার্গেট করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ই-সিগারেট জাতীয় পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে বহুজাতিক তামাক কোম্পানিগুলো। ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের বেশ কিছু দেশে এসব পণ্য ব্যবহার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। অতি সম্প্রতি ভারতে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও এসব পণ্যের ব্যবহার ক্রমবর্ধন হারে বাড়ছে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করার পূর্বেই বাংলাদেশও এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, বিক্রয় ও বিপণন নিষিদ্ধ করতে পারে।সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার ৪৯ শতাংশই তরুণ, যাদের বয়স ২৪ বছর বা এর নিচে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট হিসেবে বিবেচিত এই তরুণ জনগোষ্ঠিকে সঠিক পথে পরিচালনার ওপরই বাংলাদেশের কাঙ্খিত সমৃদ্ধি ও উন্নতি নির্ভর করছে। তামাকাসক্ত অসুস্থ তরুণ প্রজন্ম এসব লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করবেনা, বরং সমাজ ও অর্থনীতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়বে।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. হাবিবুর রহমান খান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat