×
ব্রেকিং নিউজ :
ভোট দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক খুলনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনা ও নৌবাহিনীসহ সাড়ে ১৮ হাজার সদস্য নওগাঁর ৭৮২টি কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ব্যালট পেপার রাঙ্গামাটিতে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি নিয়ে র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলন মেহেরপুরে ২১৯ টি কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনের সরঞ্জাম নির্বাচনে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান ভোটগ্রহণ চলাকালে ৪ ধাপে ভোটের সংখ্যা-শতকরা প্রেরণের নির্দেশ ইসির সহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান বিএনপির
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-১৫
  • ৩৪৮ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
সকল নাগরিকের সুরক্ষার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

নিউজ ডেস্ক:- তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘কোনো বিশেষ পেশাজীবীদের জন্য নয়, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সুরক্ষার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। ইন্টারনেট এবং রোবটিক্স ভিত্তিক এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিধানে এ আইন অত্য যুগপোযোগী।’
সোমবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্ধারিত বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী একথা জানান। এসময় তিনি বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসকদের কাছে বিষয়টি পরিস্কারভাবে তুলে ধরেছি যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের স্ফুরণের এ যুগে একজন কৃষক, চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী বা সাংবাদিক -যেই হোন না কেন, যদি কোনো ডিজিটাল প্লাটফর্মে অসত্য মানহানির শিকার হন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনই তাকে সুরক্ষা দিতে পারে। একইসাথে এ আইনের অপপ্রয়োগরোধেও সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’ 
অনলাইন গণমাধ্যম সম্পর্কে প্রশ্নের উত্তরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে অনলাইন গণমাধ্যম একটি বাস্তবতা। সে নিরিখেই আমরা চলমান অনলাইন গণমাধ্যমগুলোকে নিবন্ধনের জন্য ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। পূর্বের দু’হাজারের অধিক আবেদনের সাথে নতুন আরো প্রায় তিন হাজার আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদনগুলো যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।’
‘দেশে কেবল নেটওয়ার্ক পরিচালনার আইন থাকলেও তার প্রয়োগ ছিল না’ উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশি টেলিভিশন শিল্প রক্ষা এবং কেবল নেটওয়ার্কে সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করতে সেই আইন প্রয়োগে আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছি যেখানে সকল জেলা প্রশাসক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। কেবল নেটওয়ার্কে দেশি চ্যানেলগুলো সম্প্রচার তারিখের ক্রমানুসারে প্রথমে রাখা, স্থানীয়ভাবে অবৈধ সিনেমা ও বিজ্ঞাপন প্রচার এবং অবৈধ বিজ্ঞাপনমুক্ত বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচারের জন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় জেলা প্রশাসকদের আমরা ধন্যবাদ জানিয়েছি।’
‘দেশের প্রতিটি জেলায় প্রেক্ষাগৃহ ও তথ্য ও যোগাযোগি প্রযুক্তির আধুনিক সুবিধাসহ তথ্য কমপ্লেক্স গড়ে তোলার প্রকল্প শিঘ্রই আলোর মুখ দেখবে’, জানান মন্ত্রী। 
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, তথ্যসচিব আবদুল মালেক, সংস্কৃতি সচিব ড. মো: আবু হেনা মোস্তফা কামালসহ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat