×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক খুলনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনা ও নৌবাহিনীসহ সাড়ে ১৮ হাজার সদস্য নওগাঁর ৭৮২টি কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ব্যালট পেপার রাঙ্গামাটিতে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি নিয়ে র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলন মেহেরপুরে ২১৯ টি কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনের সরঞ্জাম নির্বাচনে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান ভোটগ্রহণ চলাকালে ৪ ধাপে ভোটের সংখ্যা-শতকরা প্রেরণের নির্দেশ ইসির সহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান বিএনপির সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান সিইসি’র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-১৪
  • ৩১৪ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
এরশাদ কোচবিহার থেকে যেভাবে রংপুরের বাসিন্দা হলেন

নিউজ ডেস্ক:-  সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বাবা মকবুল হোসেনকে কোচবিহার ছাড়ার জন্য চব্বিশ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন ভারতের চিফ কমিশনার।মকবুল হোসেন তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে চলে আসেন রংপুরে। অপর বহিষ্কৃতরা পরে কোচবিহারে ফিরলেও মকবুল হোসেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে নিয়ে থেকে যান রংপুরেই। ১৯৫০ সালে ক্রয় সূত্রে ঠিকানা হন রংপুর মহানগরীর নিউ সেনপাড়ায় বর্তমান (স্কাইভিউ) বাড়িতে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বাবা পেশায় ছিলেন আইনজীবী। তিনি রংপুরের আদালতে শুরু করেন আইন পেশা।হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বাবা মকবুল হোসেন ছিলেন দিনহাটা আদালতের আইনজীবী। মা গৃহবধূ। ভারতের কোচবিহারের দিনহাটার বাসিন্দা তিনি। কোচবিহার ছিল মহারাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ ভূপবাহাদুর শাসিত করদ মিত্ররাজ্য।ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পর ১৯৪৯ সালে মহারাজা ও ভারত সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে কোচবিহারের শাসন ব্যবস্থা একজন চিফ কমিশনারের হাতে ন্যস্ত করা হয়। চিফ কমিশনার নিযুক্ত হন ভিআই নান্নাজাপ্পা।১৯৫০ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি জেলায় পরিণত হয় কোচবিহার। স্থানীয় হিন্দু-মুসলিম জোতদারদের সমন্বয়ে গঠিত কোচবিহার স্টেট কাউন্সিলের সভায় মতবিরোধ তৈরি হয় ভারতীয় ইউনিয়নে যোগদানের বিষয়ে। কাউন্সিলের প্রায় সব সদস্য পাকিস্তানের সঙ্গে যোগদানের পক্ষে অবস্থান নিলেও একজন হিন্দু সদস্য বিরোধিতা করেন। মহারাজা জগদ্দীপেন্দ্র নারায়ণ ভূপবাহাদুর ভারতীয় ইউনিয়নে যোগদানের পক্ষে অবস্থান নেন। ওই সময়ে স্টেট কাউন্সিলের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত ‘হিতসাধনা সভা’ কোচবিহারের প্রতিটি থানায় সভা-সমিতির মাধ্যমে ভারতবিরোধী প্রচারণা চালাতে থাকে।মুসলিম সদস্যরা পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। এমন পরিস্থিতে আরও কয়েকজনের সঙ্গে এরশাদের বাবা দিনহাটা আদালতের আইনজীবী মকবুল হোসেনকেও কোচবিহার থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। অবশ্য তার কয়েক বছর আগে ১৯৪৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নের জন্য রংপুরে এসেছিলেন এরশাদ। তার তখন গ্রাজুয়েশন শেষ পর্যায়ে। থাকতেন কারমাইকেল কলেজের জিএল হোস্টেলে। আরও আগে থেকে রংপুরে থাকতেন তার বড় বোন নাহার ও ভগ্নিপতি সিরাজুল হক। ভগ্নিপতি ছিলেন ইন্সপেক্টর অব স্কুর্লস।এইচএম এরশাদ রবিবার সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat