×
ব্রেকিং নিউজ :
ধর্মমন্ত্রীর ত্বরিত উদ্যোগে দেশে ফিরলেন আটকে পড়া ৩৩ উমরাহ যাত্রী এপ্রিলের মধ্যে বোয়িং চুক্তি, ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য: মিল্লাত উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি গণসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি : চসিক মেয়র রাজবাড়ীতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ সাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন সমস্যা সমাধানে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ : গৃহায়ন মন্ত্রী উপসাগরীয় সংঘাত নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশ-ওমানের বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্বে চিকিৎসা পর্যটনে গতি আসবে সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্বও ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৭-১১
  • ৩৪১ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
যুদ্ধাপরাধীর সন্তানরা কোনোভাবেই আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীর সন্তানরা কোনোভাবেই আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না। যদি কোথাও সদস্য হয়ে থাকে তাহলে তাকে বহিস্কার করা হবে। এটা নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার সোনারামপুর এলাকায় ভারতীয় মিত্র বাহিনী স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের জন্য জায়গা পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
যুদ্ধাপরধীদের বিচারকাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কোনো অবস্থাতেই থমকে যাবে না। আপনাদের এখানে যারা যুদ্ধাপরাধী ছিল তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি হচ্ছে। যারা খুব বড় যুদ্ধাপরাধী ছিল তাদের বিচারের কথা পত্র-পত্রিকায় ওঠে, মানুষ জানতে পারে। কিন্তু যারা নি¤œ পর্যায়ে স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছে-তাদের যে যাবজ্জীবন বা অন্যান্য শাস্তি হচ্ছে, সেগুলো পত্র-পত্রিকায় আসেনা বলে মনে হচ্ছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ স্থগিত হয়ে গেছে। কিন্তু সেটা সঠিক নয়, বিচার কাজ চলমান আছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘যখই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার ব্যাপারে অভিযোগ পাচ্ছি তখনই তদন্ত করে তাদের বাতিল করা হচ্ছে। এ কার্যক্রম অব্যাহত আছে।’
আ. ক. ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সাত শতাধিক ভারতীয় সৈন্য আমাদের পাশে থেকে যুদ্ধ করে বাংলার মাটিতে শহীদ হয়েছেন। আমরা তাদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ করতে চাই। যেহেতু আশুগঞ্জে বেশি যুদ্ধ হয়েছে, তাই আমরা মনে করি, আশুগঞ্জে স্মৃতিস্তম্ভটি হলে ভালো হবে।’
এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়েল সচিব এস.এম আরিফ উর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, আশুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সি, আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজিমুল হায়দার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দফতর) আবু সাঈদ, বাংলাদেশ আইন সমিতির সভাপতি কামরুজ্জামান আনসারী ও আশুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইকবাল হোসেন প্রমুখ মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat