×
ব্রেকিং নিউজ :
তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক খুলনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনা ও নৌবাহিনীসহ সাড়ে ১৮ হাজার সদস্য নওগাঁর ৭৮২টি কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ব্যালট পেপার রাঙ্গামাটিতে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি নিয়ে র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলন মেহেরপুরে ২১৯ টি কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনের সরঞ্জাম নির্বাচনে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে ভোটারদের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান ভোটগ্রহণ চলাকালে ৪ ধাপে ভোটের সংখ্যা-শতকরা প্রেরণের নির্দেশ ইসির সহিংসতা নয়, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান বিএনপির সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান সিইসি’র
  • প্রকাশিত : ২০১৯-০৬-২০
  • ৩৩৭ বার পঠিত
  • নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন চলবে, পরিবেশও রক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মানুষ বাড়লে বন ও পরিবেশ ধ্বংস হয়। সভ্যতার বিকাশ ও উন্নয়ন চলবে। তবে আমাদের পরিবেশও রক্ষা করতে হবে। এ বিষয়ে আমরা আইন করেছি, মোবাইল কোর্ট হচ্ছে।’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যত আধুনিকায়ন হচ্ছে, যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে, আমাদের অবিবেচনাপ্রসূত কাজের ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আধুনিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য আমরা যা যা ব্যবহার করছি তার কারণে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। তবে আমরা পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হচ্ছি। উন্নয়ন দরকার, কিন্তু পরিবেশও রক্ষা করতে হবে। আমাদের বৃক্ষরোপণ করতে হবে, জলাধার রক্ষা করতে হবে।’

দেশের সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেকেই নিজের কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন। বনজ, ফলজ, ভেষজ গাছ লাগাবেন। ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, এর পরিচর্যাও করতে হবে। গাছ লাগলে কয়েকবছর পর টাকাও পাওয়া যায়, বছর বছর ফল পেলেও খুশি লাগে।সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে রাস্তার পাশে ও জঙ্গলের আশপাশে বসবাসরত লোকদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যারা এসব গছের যত্ন নেবেন, গাছগুলো বড় হলে বিক্রির পর এর ৭৫ ভাগ লভ্যাংশ পাবেন তারা। আর ২৫ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে যাবে। এরাই আবার নতুন করে গাছ লাগাবেন।’

এসময় শেখ হাসিনা আজিমপুর গার্লস স্কুলে পড়ার সময় বান্ধবীদের সঙ্গে নিয়ে গাছ লাগানোর স্মৃতিচারণও করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ছোটবেলায় উখিয়ায় যাই, সেসময় সেখানে কোনও রাস্তা ছিল না। জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যেতে হতো। ফরেস্ট বাংলোতে উঠতাম। চারপাশে ঘন জঙ্গল ছিল। মানবিক কারণে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হলো। কিন্তু এখন বন শেষ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
#
ক্যালেন্ডার...

Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat